[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া শুরু ৩০ উপজেলায়

প্রকাশঃ
অ+ অ-
হামের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচিতে শিশুদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। ২ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোদ্দারপাড়া, শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ। ৫ এপ্রিল ২০২৬ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

হামের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকায় দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুরা হাম-রুবেলার টিকা পাবে। কেউ আগে টিকা দিয়ে থাকলেও চলমান এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবে। টিকা দেওয়ার কার্যক্রম চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

রোববার সকাল ৯টা থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় একযোগে এই কর্মসূচি শুরু হয়। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সকালে ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ সময় সাখাওয়াত হোসেন বলেন, হামের পরিস্থিতি বর্তমানে সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। মূলত যেসব এলাকায় সম্প্রতি হামের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে, সেসব জায়গাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করে টিকাদান কর্মসূচি চালানো হচ্ছে।

বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় থাকা এলাকাগুলো হলো—বরগুনা সদর ও পৌরসভা; পাবনা সদর, পৌরসভা, ঈশ্বরদী, আটঘরিয়া ও বেড়া; চাঁদপুর সদর, পৌরসভা ও হাইমচর; কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু; গাজীপুর সদর; চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, পৌরসভা, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাট; নেত্রকোনার আটপাড়া; ময়মনসিংহ সদর, ত্রিশাল, তারাকান্দা ও শ্রীনগর; রাজশাহীর গোদাগাড়ী; বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ; নওগাঁর পোরশা; যশোর সদর ও পৌরসভা; নাটোর সদর; মুন্সিগঞ্জ সদর, পৌরসভা ও লৌহজং; মাদারীপুর সদর ও পৌরসভা; ঢাকার নবাবগঞ্জ; ঝালকাঠির নলছিটি এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি আক্রান্ত বা জ্বর আছে—এমন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে শুধু টিকাই দেওয়া হবে, বাড়তি কোনো ওষুধ দেওয়া হবে না। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে। আগের টিকাদান কেন্দ্রগুলো ছাড়াও স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত জায়গা, স্কুল ও সামাজিক কেন্দ্রে এই কার্যক্রম চলবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রাথমিকভাবে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু হলেও ধীরে ধীরে তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। জুলাই মাসের মধ্যে এটি নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চালু থাকবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন