[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে ভোটের মাঠ ছাড়লেন স্বতন্ত্র প্রার্থী

প্রকাশঃ
অ+ অ-
লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি) আসনে বিএনপির প্রার্থীর হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (ডান পাশ থেকে দ্বিতীয়)। গত রোববার রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল (কাপ-পিরিচ)। এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য-বিষয়ক সম্পাদক এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান।

গত রোববার রাতে লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকার বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ ঘোষণা দেন শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল। তিনি বৃহত্তর রামগতি উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা নিজান ও সোহেলের হাতে ধানের শীষের প্রতীক তুলে দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহসহ ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বলেন, ‘বিএনপি ও ধানের শীষের পক্ষে কাজ করব। তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আমি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলাম।’

আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, ‘শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বিএনপিকে সমর্থন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। আমরা সোহেলকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।’

শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন। তারেক রহমানের প্রতি পূর্ণ আস্থা নিয়ে তিনি বিএনপিতে পুনরায় ফিরে এসেছেন এবং আমাদের দলীয় প্রার্থী আশরাফ উদ্দিন নিজানের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তাঁর এই সিদ্ধান্ত জেলা বিএনপিকে শক্তিশালী করবে।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, জেলা ওলামা দলের সভাপতি শাহ মোহাম্মদ এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, রামগতি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে গেলে আইনিভাবে নির্বাচন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সরে দাঁড়ানোর আর কোনো সুযোগ নেই। অর্থাৎ এই আসনের ব্যালটে ধানের শীষের সঙ্গে কাপ-পিরিচ প্রতীকও থাকবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন