[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিদ্রোহী প্রার্থী অভিযোগ করলেন বিএনপির বিরুদ্ধে হুমকি ও মারধর

প্রকাশঃ
অ+ অ-
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান। আজ দুপুরে সেনবাগ উপজেলার পরিকোট গ্রামের নিজ বাড়িতে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর অংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মো. মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ওই আসনের বিএনপির প্রার্থী তাঁকে হুমকি দিচ্ছেন। তাঁর নেতা-কর্মীদেরও মারধর করছেন বিএনপির লোকজন। মঙ্গলবার দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ডুমুরুয়া ইউনিয়নের পরিকোট গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ জানান।

কাজী মফিজুর রহমান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন। নোয়াখালী-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছিলেন তিনি। তবে মনোনয়ন না দেওয়ায় দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। এরপর দল থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কাজী মফিজুর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার শুরুর পর থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় আমার প্রচারের কাজে নিয়োজিত নেতা-কর্মীদেরও মারধর করছেন ধানের শীষের প্রার্থীর লোকজন।’

কাপ-পিরিচ প্রতীকের এই প্রার্থী বলেন, ‘যেহেতু আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাই আমি বিএনপির কেউ নই। আমি নির্বাচনে প্রার্থী হলেও বিএনপির প্রার্থীর মাথা ঘামানোর কোনো কারণ নেই। কিন্তু গত সোমবার ডুমুরুয়া ইউনিয়নে একটি নির্বাচনী পথসভায় তিনি বলেছেন, আমাকে গাজীর মাজারে গিয়ে তওবা করে বিএনপির ধানের শীষের প্রতীকের পক্ষে ভোট দিতে হবে। একজন প্রার্থী কীভাবে আরেকজন প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে এমন কথা বলতে পারেন—এই প্রশ্ন আমি নির্বাচন কমিশনের কাছে রাখছি।’

কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, ১ ফেব্রুয়ারি সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে তাঁর একটি নির্বাচনী কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রচারের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। তাঁর নেতা-কর্মীদের ১২ তারিখের পর দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

হামলা-ভাঙচুর, প্রচারে বাধা ও হুমকির বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন কাজী মফিজুর রহমান।

কাজী মফিজুরের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এসব অভিযোগ সবই ভিত্তিহীন। তাঁকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য এসব প্রচার করা হচ্ছে।’ 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন