সংসদের পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ
![]() |
| জাতীয় সংসদ ভবন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সদস্যরা প্রথমে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের শপথ নেবেন, এরপর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে এই শপথ অনুষ্ঠান হবে বলে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হচ্ছে। কোনো কারণে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কাছে আমন্ত্রণপত্র পৌঁছাতে না পারলে শপথের দিন সংসদ ভবনের টানেলের ভেতরে মূল প্রবেশপথে রাখা সামনের টেবিল থেকে তা সংগ্রহ করা যাবে। শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নবনির্বাচিত সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখার অনুরোধ জানিয়েছে সংসদ সচিবালয়।
দেশের আইনসভার সদস্যরা সাধারণত আগের সংসদের স্পিকারের কাছ থেকে শপথ নেন। তবে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানের পর বদলে যাওয়া পরিস্থিতিতে দ্বাদশ সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী এখন প্রকাশ্যে নেই। সে কারণে নতুন সংসদ সদস্যরা এবার শপথ নেবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোটে 'হ্যাঁ' জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর। ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে কারণে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তাঁদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আলাদাভাবেও শপথ নিতে হবে। সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে দুটি শপথ 'একের পর এক' হবে বলে সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে।
সকালের এই আয়োজনের পর বিকেলে নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান হবে। দীর্ঘদিনের রীতি ভেঙে এবার বঙ্গভবনের বাইরে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথের আয়োজন করা হচ্ছে।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। অন্যদিকে একসময়ের মিত্র জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসন পেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে। বাকি আসনগুলোতে জয়ী হয়েছেন অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

Comments
Comments