[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চাঁদা দাবির অভিযোগ অস্বীকার বিএনপির

প্রকাশঃ
অ+ অ-
চাঁদা না পেয়ে কারখানা ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ নিয়ে কথা বলছেন রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান। গতকাল বুধবার বিকেলে রূপগঞ্জের দাউদপুর এলাকার একটি পার্কে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জিআই তার তৈরির কারখানা ‘বিএলও ওয়্যার নেইল ইন্ডাস্ট্রিজে’ কোনো চাঁদা দাবির ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহফুজুর রহমান (হুমায়ুন)। তাঁর দাবি, পরিবেশদূষণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

চাঁদা ‘না দেওয়ায়’ কারখানায় ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগে সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর বুধবার বিকেলে উপজেলার দাউদপুরের একটি পার্কে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় এই দাবি করেন বিএনপি নেতা মাহফুজুর রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দাউদপুর ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে শারীরিক প্রতিবন্ধী মনোয়ার হোসেনের (অপু) জিআই তার তৈরির কারখানায় হামলা ও কর্মীদের মারধর করা হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, দাবি করা চাঁদা না দেওয়ায় প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে কারখানায় লুটপাট চালিয়ে ট্রাক দিয়ে মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় মনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বেলায়েত আকনকে প্রধান আসামিসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

কারখানার মালিক শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছেন যে, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি বেলায়েত আকনসহ অন্যরা সভাপতি মাহফুজুর রহমানের নাম ব্যবহার করে দফায় দফায় চাঁদা দাবি করেছেন। অন্তত চারবার বিষয়টি মাহফুজুর রহমানকে জানালেও তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি। উল্টো চাঁদা দাবি করা লোকদের সঙ্গে মীমাংসার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এ নিয়ে ‘নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ: চাঁদা “না দেওয়ায়” কারখানা ভাঙচুর, ট্রাক এনে পণ্য লুট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

প্রতিবাদ সভায় মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘জিআই তার তৈরির ওই কারখানার দূষণের কারণে ফসল, মাছ ও গবাদিপশুর ক্ষতি হচ্ছিল। দীর্ঘদিন ধরেই কারখানাটি বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। এরই জেরে ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার গঠনের দিন কয়েকজন ব্যক্তি পরিবেশদূষণ নিয়ে কথা বলতে যান। এ সময় কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভাঙচুর হয়।’

মাহফুজুর রহমান আরও বলেন, ঘটনার সময় তিনি শপথ অনুষ্ঠানে ছিলেন। মামলার আসামি তাঁর ভাই মো. কাজল ছিলেন আইনমন্ত্রীর বাসায়। রূপগঞ্জ থানার একজন উপপরিদর্শক মুঠোফোনে তাঁকে ঘটনাটি জানালে তিনি বিষয়টি দেখতে বেলায়েত আকনকে সেখানে পাঠান। সেখানে তখন পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে এই ঘটনায় মামলা হলে বেলায়েত আকন ও তাঁর ভাই কাজলকে আসামি করা হয়।

মাহফুজুর রহমানের দাবি, তাঁকে ও বিএনপিকে বিতর্কিত করতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে সাজানো মামলা করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি ওই কারখানায় কখনো যাইনি। কারখানার লোকজনকে আমি চিনি না, তারাও আমাকে চেনে না। তারা কখনো আমাকে ফোন করেনি। ফোন করলে আমি তখনই ব্যবস্থা নিতাম। আমরা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে তৎপর রয়েছি।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন