এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ
![]() |
| বাজারে এলপি গ্যাসের সংকট। মাটির চুলায় রান্না করছেন অনেকেই | ফাইল ছবি |
আজ বৃহস্পতিবার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। সমিতির দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে।
বুধবার সন্ধ্যায় দেশের সব পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতার জন্য এমন একটি নোটিশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে।
এর আগে বুধবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলনে সমিতি তাদের দাবি তুলে ধরেন। সমিতি জানিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে সারা দেশে বিক্রি বন্ধ করা হবে। সন্ধ্যায় বিক্রি বন্ধের নোটিশ জারি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সমিতি জানিয়েছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য নতুন করে সমন্বয় করবে। পাশাপাশি প্রশাসন পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করবে। যদি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হয়, অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
বুধবার রাত ১১টায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর ৩টায় বিইআরসি-র সঙ্গে তাদের বৈঠক হবে। বৈঠকে দাবি মানা হলে বিক্রি শুরু হবে, না হলে বন্ধই থাকবে।
প্রসঙ্গত, প্রতি মাসে বিইআরসি এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করা হয়। সমিতি জানিয়েছে, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে। ফলে সংকট কমানোর পরিবর্তে বাড়তি দাম নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হচ্ছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী বাধ্য হয়ে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ রাখছেন।
বক্তব্যে বলা হয়েছে, জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানি মিলে আমদানি সমস্যা সমাধান করলে পরিস্থিতি ঠিক হতো। কিন্তু এর পরিবর্তে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে। সমিতি চাচ্ছে, পরিবেশক কমিশন কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করার ব্যবস্থা করুক।

Comments
Comments