[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

তাসনিম জারাকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই আসে না: জাভেদ রাসিন

প্রকাশঃ
অ+ অ-
রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় গণসংযোগ করছেন জাভেদ রাসিন। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১–দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক জাভেদ রাসিন। শেষ মুহূর্তে এই আসন এনসিপিকে দেওয়া হওয়ায় প্রচার শুরু করতে কিছুটা দেরি হয়েছে শাপলা কলি প্রতীকের এই প্রার্থীর।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় গণসংযোগ করেন জাভেদ রাসিন। এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, এই আসনের আরেক প্রতিদ্বন্দী, একসময় জাতীয় নাগরিক পার্টিতে থাকা ও বর্তমানে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, কি আসন ছাড়বেন।

জবাবে জাভেদ রাসিন বলেন, না, এটি ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। আসন ছাড়ার প্রশ্ন থাকলে এখানে নতুন করে শাপলা কলির মনোনয়ন দেওয়া হতো। তিনি বলেন, ‘ঢাকা-৯ আসনকে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি। এটি পাওয়ার জন্য বা জয় নিশ্চিত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত, ১২ তারিখ পর্যন্ত আমরা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব এবং দিনকে দিন তা আরও বাড়াব।’

শুরু থেকেই এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কবির আহমদ প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। শেষ মুহূর্তে আসনটি এনসিপিকে দেওয়ায় জাভেদ রাসিনের প্রচার সামগ্রী ও তৎপরতা কিছুটা কম দেখা গেছে। আচরণবিধি অনুযায়ী প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারে ২২ জানুয়ারি থেকে নামলেও, জাভেদ রাসিন শুরু করেছেন ২৫ জানুয়ারি থেকে।

ভোটারদের সাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ভোটাররা পরিবর্তনের জন্য মুখিয়ে আছে। ৫ আগস্টের পরে আমরা যে পরিবর্তন চেয়েছিলাম, তা স্থায়ী রূপ দিতে পারিনি। এবার ভোটাররা সেই পরিবর্তন দেখতে চায়।’

জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে জাভেদ রাসিন বলেন, ‘১২ তারিখে শাপলা কলিতে গণজোয়ার, গণরায় ও গণবিপ্লব হবে।’

জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা প্রচারে কম দেখা যাচ্ছে—এমন আলোচনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটা একদম ভুল। দলীয় জোট ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমাকে সম্পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে। নেতা–কর্মীরা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাঠে আমার সাথে রয়েছেন। দেরিতে শুরু করলেও আমরা সবচেয়ে বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে পেরেছি এবং সংখ্যাটি আরও বাড়াতে চাই।’

ঢাকা-৯ আসনে জাভেদ রাসিনের অন্য প্রতিদ্বন্দ্বীরা হলেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী (ফুটবল প্রতীক) তাসনিম জারা। তাসনিম জারা এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ছিলেন। এনসিপি জামায়াতে ইসলামী সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার পর ২৭ ডিসেম্বর তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন