[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

আওয়ামী লীগের ভোটার ধরে রাখতে মরিয়া প্রার্থীরা

প্রকাশঃ
অ+ অ-
প্রতীকী ছবি

নির্বাচনী মাঠে নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের ভোটে নজর দিচ্ছে বরিশালের প্রার্থীরা। ভোটের জন্য প্রচারে কেউ ছুটছেন আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে, আবার কেউ নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার না করারও দাবি তুলেছেন। জেলার ৬টি আসনের মধ্যে তিনটিতে ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জানিয়েছে, তারা আওয়ামী লীগের ভোটারদের হয়রানি করবেন না।

বরিশাল জেলার সব ৬টি আসনে এখন আওয়ামী লীগের ভোটারদের নিয়েও তৎপরতা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) মহানগর সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, বরিশাল-৫ আসনে ৩০ থেকে ৩৫ ভাগ ভোট আওয়ামী লীগের। ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর্যালোচনা করে এই ধারণা করা হচ্ছে। এই ভোটাররা কোথায় যাবে, তা নিয়েই প্রার্থীরা এখন কৌশল চালাচ্ছেন। এই নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবেন।

বরিশাল-৫ (সদর ও নগর) আসনে প্রতীক বরাদ্দের দিন ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী সৈয়দ ফয়জুল করীম (হাতপাখা প্রতীক) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যাঁরা আসামি নন, তাঁদেরও গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। ধরুন, আমার এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ বলে একটি মামলা দেওয়া হয়েছে। সেটি প্রমাণ করতে করতেই নির্বাচন শেষ হয়ে যাবে। তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ থাকবে, যেন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়। যাঁদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাঁদের নামে নতুন করে রাজনৈতিক মামলা দেওয়া যাবে না। আর যদি আমাকেই আওয়ামী লীগ বলা হয়, সেটাও তো আদালতেই প্রমাণ হবে আমি আওয়ামী লীগ কি না। যাঁদের নামে মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, তাঁদের হয়রানি করা যাবে না।’

এ বিষয়ে বরিশাল নগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার বলেন, ‘আমাদের ৫০ ভাগ ভোট আছে। আওয়ামী লীগের ছিল ৩০ ভাগ। আওয়ামী লীগের ভোট হাতপাখা না ধানের শীষে যাবে, নাকি ভোটদানে বিরত থাকবে—তা বলা যাচ্ছে না।’

এদিকে বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ ও মুলাদী) আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন এবং জাতীয় পার্টির কারাবন্দী প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু। গোলাম কিবরিয়ার পক্ষে মাঠে সক্রিয় রয়েছেন তাঁর মেয়ে হাবিবা কিবরিয়া। গত বৃহস্পতিবার তিনি জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আতিকুর রহমানের বাড়িতে যান।

সেখানে আতিকুর রহমানের বাবা বজলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে হাবিবা কিবরিয়া বলেন, ‘ওনার ছেলেকেও বাবার মতো একই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওনার অনুভূতি আমি বুঝি। এখানে প্রতিহিংসার কোনো বিষয় নেই।’

বরিশাল-১ (গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া) আসনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস সোবাহান। সোবাহান বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ভোটাররা তাঁকে ভোট দেবেন। এ কারণে তাঁর কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

তবে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির গৌরনদী উপজেলা আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব বলেন, ‘হুমকির বিষয়টি সত্য নয়। আমরা সোবাহানের সমর্থকদের কোনোভাবেই হয়রানি করছি না।’ 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন