[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

এনসিপির রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির দ্বন্দ্বের জেরে দুই কমিটিই স্থগিত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে স্বাক্ষর করেছেন দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বছরের ৩০ অক্টোবর রাজশাহী মহানগর এবং ২৯ নভেম্বর রাজশাহী জেলা এনসিপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী কার্যক্রমে জড়িত থাকার কারণে উভয় কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

এর আগে ২৯ নভেম্বর ১১৪ সদস্যবিশিষ্ট এনসিপির রাজশাহী জেলা আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সাইফুল ইসলামকে আহ্বায়ক এবং রনিউর রহমানকে সদস্যসচিব করা হয়। কমিটি ঘোষণার পরদিন যুগ্ম সদস্যসচিব জিহান মোবারক সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগ করেন। এরপর ১ ডিসেম্বর কমিটির আহ্বায়ককে আওয়ামী লীগের সহযোগী আখ্যা দিয়ে আরও পাঁচ সদস্য নিজেদের কমিটি থেকে প্রত্যাহার করেন।

সেদিন বিকেলে এনসিপির জেলা কমিটি পরিচিত সভায় সাংবাদিকদের ডেকে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় আহ্বায়কের পদত্যাগ দাবিতে বাইরে আরেকটি পক্ষ বিক্ষোভ দেখায়। একপর্যায়ে এনসিপির জাতীয় যুবশক্তির মহানগরের দুই নেতা সংবাদ সম্মেলনে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের কক্ষে তালা মেরে আটকে রাখার হুমকি দেন। ঘটনার পর সাংবাদিকরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানান।

৩ ডিসেম্বর রাতে কমিটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনকারীরা মহানগর এনসিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক, সদস্যসচিবসহ আটজনকে তালা কেটে বের করা হয়। রাজশাহী মহানগর কমিটির আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী জানিয়েছেন, জেলা কমিটির আহ্বায়কের পদত্যাগের দাবি যৌক্তিক। তিনি প্রায়ই ফেসবুকে এ নিয়ে স্ট্যাটাস দিতেও থাকেন।

তবে রাজশাহী জেলা এনসিপির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর কোনো পদ ছিল না। কোনো পদ না থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বলা যাবে না যে তাঁর আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা আছে।

মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মো. মোবাশ্বের আলী আরও জানিয়েছেন, জেলা কমিটিতে আওয়ামী লীগের দোসর রয়েছে। কমিটি গঠনের পর থেকেই তিনি এ বিষয়ে সমালোচনা করে আসছিলেন। কমিটির বিপক্ষে কথা বলায় কমিটি বাতিল করেছে। আজও তিনি ফেসবুকে জেলা কমিটি নিয়ে কথা বলেছেন। যেহেতু এখন কমিটি কার্যক্রম করছে না, তাই দলীয় ব্যানারে তারা কোনো পদক্ষেপ নেবে না।

জেলা কমিটির আহ্বায়ক সাইফুল ইসলামকে ফোন করা হলে তিনি ধরেননি। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন