আমি স্বতন্ত্র হই আর যা-ই হই, এই দুর্দশা মেনে নেব না: রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশের সব বিভাগে গিয়েছি। সেখানে উন্নয়নের ছোঁয়া দেখেছি। তাহলে সরাইল-আশুগঞ্জের এই অবস্থা কেন? এই দুর্দশা আমি মেনে নেব না। আপনারা দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন।’
শুক্রবার সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের পরমানন্দপুর গ্রামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, ‘আল্লাহ যদি আমাকে আপনারা এমপি নির্বাচিত করেন, যে-ই সরকারে আসুক না কেন, আমি একজন স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে সরকারকে বাধ্য করব এই এলাকার উন্নয়ন করার জন্য। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, মন্দির ও মসজিদের উন্নয়নের জন্য কেবল সরকারি বরাদ্দ নয়, আমি নিজের উদ্যোগেও সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যাতে এই অবহেলিত এলাকা এগোতে পারে।’
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আজ এই পাঁচ গাঁও—পরমানন্দপুর, বরইচারা, ফতেহপুর, হরিপুর ও ষাটবাড়িয়া—থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করছি। সরাইল-আশুগঞ্জ দুইটি উপজেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে অবহেলিত। এই অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন যাত্রাপথও খুব কঠিন। আমি দেখেছি, এখানে চলাচল করতে মানুষ কত কষ্ট পায়। তাই আমি আশ্বস্ত করছি, এই এলাকায় সেতু ও পাকা রাস্তা নির্মাণ হবে।’
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘হাঁস হলো সমৃদ্ধি, ভাগ্য পরিবর্তন ও নতুন শান্তির প্রতীক। তাই এইবারের ভোটে হাঁস মার্কায় ভোট দিন। একবার সুযোগ দিন, আমি দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখাব।’
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন পাকশিমুল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড শাখা বিএনপির সভাপতি সিরাজ খান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরাইল উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আইয়ুব হোসেন সরদার, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি হোসেন মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উসমান খাঁন ও উপজেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল বারেক প্রমুখ।

Comments
Comments