[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত ১০

প্রকাশঃ
অ+ অ-
হাতীবান্ধার টংভাঙ্গা গ্রামে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের সংঘর্ষ। রোববার বিকেলে | ছবি: সংগৃহীত

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনী প্রচারের সময় বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের টংভাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতরা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এইচ এম রকিব হায়দার এবং পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে যান। সংঘর্ষের পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি র‍্যাব ও বিজিবির সদস্যরা টহল বাড়িয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের পক্ষে কয়েকজন নারী কর্মী বিকেলে টংভাঙ্গা গ্রামে প্রচার চালাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজিব প্রধানের এক কর্মীর বাড়িতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। এরপর বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে লাঠি ও সোঁটা নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন আহত হন। কয়েকটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের ১ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীরা কথা কাটাকাটি করছেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ লাঠি ও সোঁটা নিয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার চালানোর সময় টংভাঙ্গায় বিএনপি ও জামায়াতের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপর লাঠি ও সোঁটা নিয়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।

এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি। বিএনপির প্রার্থী হাসান রাজিব প্রধান বলেন, টংভাঙ্গায় সংঘর্ষ হওয়ার খবর শুনেছেন, কিন্তু তিনি পাটগ্রামে নির্বাচনী উঠান বৈঠকে থাকায় এখনো বিস্তারিত জানেননি।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন মোহাম্মদ আমানুল্লাহ বলেন, সংঘর্ষে উভয় পক্ষের সাত–আটজন আহত হয়েছেন। কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন