[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

শুভ বড়দিন আজ, আলো-রঙে সেজেছে গির্জাগুলো

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বড়দিন উপলক্ষে গির্জাগুলোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতির কাজ। গতকাল তেজগাঁওয়ে জপমালা রানীর গির্জায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব আজ বৃহস্পতিবার। ‘বড়দিন’ নামেই দিনটি বাংলাদেশে পরিচিত। সারা বিশ্বের খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন হিসেবে ‘ক্রিসমাস ডে’ উদ্‌যাপন করে থাকেন।

বাংলাদেশেও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষ তাঁদের ধর্মীয় বিধান অনুসারে প্রার্থনা ও আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদ্‌যাপন করবেন। সাধারণত এদিন বাড়িতে বাড়িতে যিশুখ্রিষ্টের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। পাশাপাশি ঘরে ঘরে সুস্বাদু খাবার রান্না, ক্রিসমাস ট্রি সাজানো ও আলোকসজ্জা করা হয়। শিশুদের মধ্যে উপহারও বিতরণ করা হয়। গির্জাগুলোতেও থাকে সাজসজ্জা এবং বড়দিন উপলক্ষে বিশেষ প্রার্থনা।

খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, এই দিনে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের বেথলেহেম শহরের এক গোয়ালঘরে যিশুখ্রিষ্টের জন্ম হয়। সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করার জন্যই তাঁর জন্ম হয়েছিল।

গতকাল বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, বড়দিন উপলক্ষে রঙিন সাজে সেজেছে ঢাকার গির্জাগুলো। বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রানীর গির্জা ও মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চে ছিল উৎসবের বর্ণিল পরিবেশ।

তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রানীর গির্জায় আজ বড়দিনের প্রার্থনা হবে দুবার—সকাল সাতটা ও সকাল নয়টায়। আর মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চে প্রার্থনা হবে সকাল আটটায়। দুই গির্জায়ই হাজারো মানুষ প্রার্থনায় অংশ নেবেন।

গতকাল গির্জায় আসা যিশুভক্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা বড়দিনের বিশেষ প্রার্থনা ও ধর্মীয় সংগীতে অংশ নেবেন। এসব প্রার্থনার মধ্য দিয়ে তাঁরা শান্তি, ভালোবাসা ও মানবতার বার্তা তুলে ধরবেন। অনেকেই নীরবে মোমবাতি জ্বালিয়ে যিশুর জীবনের আদর্শ স্মরণ করবেন।

মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চের পাল পুরোহিত ফাদার কাজল পিউরিফিকেশন বলেন, এবারের বড়দিনে নিজেদের অন্তরে ও বিশ্বজুড়ে যেন শান্তি বজায় থাকে, সেই প্রার্থনা করা হবে। এই প্রার্থনা হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান সবার জন্য।

তেজগাঁওয়ের পবিত্র জপমালা রানীর গির্জার পুরোহিত ফাদার জয়ন্ত এস গোমেস বলেন, যিশু সব সময় প্রান্তিক মানুষের সামাজিক ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে গেছেন। এসব কাজের মধ্য দিয়েই তিনি বিশ্বে ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এবারের প্রার্থনায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে যেন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়, দেশের ভেতরে যেন স্থিতিশীলতা বিরাজ করে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়—এই কামনা থাকবে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন