[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিজয়ের মাস শুরু

প্রকাশঃ
অ+ অ-

বিজয়ের মাস উপলক্ষে ঘরদোর রাস্তা-মহল্লা লাল-সবুজ পতাকায় সাজানো, দেয়ালচিত্র আঁকা, বর্ণময় মিছিল কিংবা অনুষ্ঠান আয়োজন ঢাকার একটা ঐতিহ্য। গেন্ডারিয়ার এস কে দাস রোডে নতুন প্রজন্মের সদস্যদের ব্যস্ত দেখা গেল লাল-সবুজে ভবন সাজাতে, আকাশে ওড়াতে বিজয়ের পতাকা  | ফাইল ছবি

শুরু হলো বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বাঙালির রাজনৈতিক ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সময় হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। যাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয় অর্জিত হয়েছে, বিজয়ের মাসে তাদের প্রতি লাখো শহীদকে শ্রদ্ধা জানাবে বাঙালি জাতি।

প্রতি বছরের মতো এবারও বিজয়ের মাস নানান কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হবে। এ উপলক্ষে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন আলাদা আলাদা কর্মসূচি পালন করবে।

স্বাধীন জাতি হিসেবে সমগ্র বিশ্বে আত্মপরিচয় লাভ করে বাঙালিরা। তারা অর্জন করে নিজস্ব ভূখণ্ড আর সবুজের বুকে লাল সূর্য-খচিত জাতীয় পতাকা। ভাষার ভিত্তিতে যে জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল, এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা পূর্ণতা পায়।

বাঙালির হাজার বছরের স্বপ্ন পূরণ হওয়ার পাশাপাশি বহু তরতাজা প্রাণ বিসর্জন ও মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ অর্জন হওয়ায়—ডিসেম্বর হলো বেদনাবিধুর শোকের মাসও।

১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বাঙালি বীর সন্তানদের সঙ্গে যুদ্ধে একের পর এক পরাজিত হতে থাকে পাকিস্তান সামরিক বাহিনী। ১ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গেরিলা হামলা বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেনাবাহিনী আরও ভয়াবহ রূপ প্রকাশ করতে থাকে। বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে জিঞ্জিরাতে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে এক দিনেই হত্যা করা হয় ৮৭ জনকে। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ বাংলাদেশকে আরও ক্ষতবিক্ষত করতে থাকে। শেষ কামড় দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তানি বাহিনী।

শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়ে ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন