বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে দেশ, ২১ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ
টানা চার দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় কুয়াশা বিরাজ করছে। আজ বুধবার সকালে রাজধানীসহ কিছু এলাকায় কুয়াশা কিছুটা কমেছে, তবে তাপমাত্রাও কমে গেছে। আজ গোপালগঞ্জে চলতি বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের দুই বিভাগসহ মোট ২১ জেলায় আজ শৈত্যপ্রবাহ বইছে। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, এই শৈত্যপ্রবাহ আগামী দু–এক দিন আরও থাকতে পারে। তবে রাজধানীতে আজ তাপমাত্রা গতকালের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আজ গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
![]() |
| শীতে কাঁপছে দেশ । এমন সকালে কোলের শিশুকে নিয়ে বাইরে বের হয়েছেন এক অভিভাবক। ফতেহ আলী সেতু এলাকায়, বগুড়া শহর, ৩১ ডিসেম্বর | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবীর বলেন, গোপালগঞ্জের এই তাপমাত্রা এ বছরের সর্বনিম্ন। তিনি জানান, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে শৈত্যপ্রবাহ বইছে। এছাড়া মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জেও শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
খুলনা ও বরিশালের জেলা মিলিয়ে মোট ১৬টি জেলা, আর মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ মোট ২১ জেলায় আজ শৈত্যপ্রবাহ বইছে।
তরিফুল নেওয়াজ কবীর আরও বলেন, আগামী দু–এক দিন শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। তবে কুয়াশা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে।
শৈত্যপ্রবাহের মাত্রা সম্পর্কে তিনি জানান, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। আর ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে হলে তা অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে গণ্য করা হয়।


Comments
Comments