[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

প্রার্থনা ও খ্রিষ্টীয় গানে উদ্‌যাপিত হলো চট্টগ্রামে বড়দিন

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বড়দিন উপলক্ষে চট্টগ্রামের পাথরঘাটার পবিত্র জপমালা রানি ক্যাথিড্রাল গির্জায় আলোকসজ্জা। বুধবার রাতে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

চট্টগ্রামের খ্রিষ্টানপল্লিগুলোতে বুধবার থেকেই শুরু হয়েছে বড়দিনের উৎসব। নগরের পাথরঘাটা, পাহাড়তলী, জামালখান ও বাহির সিগন্যাল এলাকার খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের বাড়ির সামনে সাজানো হয়েছে সুসজ্জিত ক্রিসমাস ট্রি। পাশাপাশি যিশুর জন্মস্থান নাজেরেথের গোয়ালঘরের আদলে তৈরি করা হয়েছে বাঁশের চৌকোনা বাক্স এবং টাঙানো হয়েছে বড় লাল তারা। দিনভর বাড়ি বাড়ি চলে স্বজন ও পরিচিতজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং খাওয়াদাওয়ার আয়োজন।

বৃহস্পতিবার সকালে এবং গতকাল বুধবার নগরের গির্জাগুলোতে বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। মূলত বুধবার রাতের বিশেষ প্রার্থনা, খ্রিষ্টীয় গান ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়েই বড়দিনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে যায়।

বড়দিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরের গির্জাগুলো বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে। আলোকসজ্জায় ঝলমল করে গির্জার প্রাঙ্গণ। যিশুখ্রিষ্টের জন্মমুহূর্তসহ তাঁর জীবনের নানা ঘটনার আদলে তৈরি প্রতিকৃতি দেখতে ভিড় করছেন ভক্তরা।

এ ছাড়া বড়দিন উপলক্ষে গির্জা ও বিভিন্ন বাসাবাড়িতে কেক কাটা হয়। গির্জাগুলোতে প্রার্থনার সময় সান্তা ক্লজের কাছ থেকে উপহার নিতে ব্যস্ত ছিল শিশু-কিশোরেরা। নগরের বড় হোটেলগুলোতেও বড়দিন ঘিরে বিশেষ আয়োজন রাখা হয়েছে।

বেথেলহেমের নাজেরেথের গোয়ালঘরের অনুকরণে তৈরি যিশুখ্রিষ্টের জন্মস্থানের প্রতিকৃতি স্থাপন করা হয় গির্জার সামনে। চট্টগ্রামের পাথরঘাটার পবিত্র জপমালা রানি ক্যাথিড্রাল গির্জায় আলোকসজ্জা। বুধবার রাতে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

সকাল ৯টায় নগরের পাথরঘাটার পবিত্র জপমালা রানি ক্যাথিড্রাল গির্জায় বড়দিনের প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনায় দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি এবং শান্তি কামনা করা হয়। প্রার্থনা শেষে উপস্থিত সবাই একে অন্যের সঙ্গে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

একই গির্জায় বুধবার রাতে দুই দফায় প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফার প্রার্থনা পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহা ধর্ম প্রদেশের ভিকার জেনারেল ফাদার টেরেন্স রডিক্স। রাত ১২টায় দ্বিতীয় দফার প্রার্থনা পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহা ধর্ম প্রদেশের আর্চবিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার। প্রার্থনায় তিনি বলেন, ‘প্রভু যিশু এই পৃথিবীতে এসেছেন শান্তি ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে। আমরা যেন একে অন্যকে সেই ভালোবাসা দেখাতে পারি। আমাদের এই দেশ যেন শান্তিতে থাকে। আমরা সবাই যেন একে অন্যের মাঝে শান্তি ছড়িয়ে দিতে পারি, এটাই প্রার্থনা।’

আজ সন্ধ্যায় পাথরঘাটা গির্জায় বড়দিন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কেক কাটা এবং বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের উপস্থিতিতে সর্বধর্মীয় সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে।

বড়দিন উপলক্ষে নগর ও জেলার গির্জাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করেছে। পুলিশ ও র‍্যাবের টহল দল গির্জা এলাকাগুলোতে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন