[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শুরু হলো চাকসু ভোট

প্রকাশঃ
অ+ অ-
চাকসু নির্বাচনে ভোটারদের লাইন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

শান্তিপূর্ণভাবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ সকাল সাড়ে ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও মূলত ভোট শুরু হওয়ার কথা ছিল সকাল নয়টায়।

সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে প্রথম শাটল ট্রেন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। এরপর হাজারো শিক্ষার্থী অনুষদ ভবনের দিকে রওনা হন। কাটা পাহাড়ে তল্লাশিচৌকি বসিয়ে শিক্ষার্থীদের পরিচয় নিশ্চিত করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসে প্রবেশের সময় সবাইকে আইডি কার্ড দেখাতে হচ্ছে।

সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ৩১২৪ নম্বর কক্ষে ভোট দিতে গিয়ে ছাত্রদল প্যানেলের জিএস প্রার্থী মো. শাফায়াত হোসেন জানান, ভোটারের আঙুলে দেওয়া অমোচনীয় কালি এক ঘষাতেই চলে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ। মাত্র একটি ট্রেন এসেছে, বেশি শিক্ষার্থী দেখা যাচ্ছে না। তবে বেলা বাড়লে ভোট দিতে আরও শিক্ষার্থী আসবেন।’

কালি উঠে যাওয়ার বিষয়টি শাফায়াত ঘটনাস্থলে থাকা নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদকে জানান। কমিশনার জানান, ‘কালি উঠে গেলেও শিক্ষার্থীদের নাম তালিকা থেকে কেটে দেওয়া হচ্ছে, তাই কোনো সমস্যা হবে না।’

সকাল ১০টা ১০ মিনিটে একই কক্ষে ভোট দেন মোহাম্মদ শাহেদুল হক, যিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘জীবনে প্রথমবার ভোট দিলাম। দারুণ অনুভূতি। আশা করি ভোট উৎসবমুখর পরিবেশে হবে।’

আজ ৩৫ বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ হচ্ছে। সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন হয়েছিল ১৯৯০ সালে। এবার চাকসুতে মোট ভোটার প্রায় ২৭ হাজার ৫১৬ জন, এর মধ্যে ছাত্রী ১১ হাজার ১৫৬ জন। নির্বাচনে মোট ৯০৮ জন প্রার্থী লড়ছেন। কেন্দ্রীয় সংসদে ২৬টি পদে ৪১৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই সঙ্গে ১৪টি হল ও একটি হোস্টেলের জন্য ৪৯৩ জন প্রার্থী নির্বাচন করছেন।

আইটি অনুষদে ভোট দিতে লাইনে দাঁড়িয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে নয়টায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

কেন্দ্রীয় সংসদে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন এবং সহসাধারণ সম্পাদক পদে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চাকসু নির্বাচনে মোট ১৩টি প্যানেল রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রদলের প্যানেল; ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’; বামপন্থী ছাত্রসংগঠন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ১০টি সংগঠন মিলিত ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য’ (৩ পদে কোনো প্রার্থী নেই); ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের যৌথ প্যানেল ‘দ্রোহ পর্ষদ’ (৯টি পদে কেউ নেই); এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের সংগঠন স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি ও ছাত্র ফেডারেশনের জোটবদ্ধ প্যানেল ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’। এই প্যানেলগুলোই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দ্রোহ পর্ষদের ভিপি প্রার্থী ঋজু লক্ষ্মী অবরোধ  বলেন, ‘আধিপত্যবাদী অপসংস্কৃতির অবসান ঘটাতে চাকসু ভূমিকা রাখবে, এমনটাই আমাদের প্রত্যাশা।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন