[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেলের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিচ্ছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, ও সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের প্রার্থীরা। গতকাল রাত একটার দিকে চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’-এর বিরুদ্ধে। গতকাল সোমবার রাত একটার দিকে ছাত্রদল এবং ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’ প্যানেলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। এ সময় ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের কয়েকজন প্রার্থীও উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে প্রজেকশন মিটিং করে। সেখানে সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে প্রচারণা চালানো হয়েছে, যা আচরণবিধি লঙ্ঘন।

অভিযোগ দেওয়ার সময় ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন, জিএস প্রার্থী শাফায়েত হোসেন, এজিএস প্রার্থী আইয়ুবুর রহমান; সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের জিএস প্রার্থী মো. সাকিব মাহমুদ; এবং বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবির বিন জাবেদ ও এজিএস প্রার্থী পলাশ দে উপস্থিত ছিলেন।

ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, “চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট নিয়মিতভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছে। এ পর্যন্ত আমরা মোট আটটি অভিযোগ করেছি। তবে কমিশন এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। অভিযোগের পর কমিশন জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার বেলা একটার মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিবির–সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব স্বীকার করেন, 'প্রজেকশন মিটিং মূলত ভোট চাওয়ার জন্যই করা হয়। আমরা নিয়ম মেনে পাঁচটি হরে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি মিটিং করেছি। জিরো পয়েন্টে যে মিটিং হয়েছে, তার জন্য কমিশনের অনুমতি ছিল।' 

চাকসু নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ভোটের ২৪ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রচারণা চালানো যাবে। তবে প্রচার কার্যক্রম সকাল ৮টা থেকে রাত ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সীমিত থাকবে। সন্ধ্যার পর ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের সাউন্ড সিস্টেম বা মাইক ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া প্রতিটি হলে সর্বোচ্চ একটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে সর্বমোট তিনটি প্রজেকশন মিটিং করার নিয়ম রয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মনির উদ্দিন জানান, 'অভিযোগের বিষয়ে আজ মঙ্গলবার বেলা একটায় আচরণবিধি কমিটির বৈঠক হবে। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।' 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে তিন দশক পর আগামীকাল বুধবার চাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হবে। একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হবে হল সংসদের নির্বাচনও। গতকাল ছিল নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিন।

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন