{getBlock} $results={3} $label={ছবি} $type={headermagazine}

শেরপুরে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা, জামায়াতের গণসংযোগ

প্রকাশঃ
অ+ অ-

লোগোটি জামায়াতে ইসলামীর এক্স হ্যান্ডেল থেকে নেওয়া

জাতীয় নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের জন্য মাঠ গোছাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ইউনিয়নগুলোর চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে দলটি। ইতিমধ্যে প্রার্থীরা গণসংযোগ শুরু করেছেন। এদিকে উপজেলা বিএনপি বলছে, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে চিন্তা করা হবে।

২৩ আগস্ট শেরপুর উপজেলা কার্যালয়ে জামায়াতের রুকন সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। উপজেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক ইফতেখার আলম জানান, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টিতে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁরা ভোটারদের সঙ্গে গণসংযোগ শুরু করেছেন।

ইউপি নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন কুসুম্বি ইউনিয়নে আনিসুর রহমান, খামারকান্দিতে আবদুল মতিন, খানপুরে আবদুল খালেক ফকির, বিশালপুরে আবদুস সাত্তার, ভবানীপুরে আইনজীবী আবদুল হালিম, সুঘাটে লুৎফর রহমান, মির্জাপুরে জহুরুল ইসলাম ও সীমাবাড়িতে ইমাম হোসাইন। গাড়িদহ ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে প্রার্থী এখনো ঘোষণা হয়নি।

উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মুস্তাফিধ বলেন, ‘গাড়িদহ ও শাহবন্দেগী ইউনিয়নে আমাদের দলীয় চেয়ারম্যান রয়েছেন। তাই নতুন করে নাম ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই ওই দুই ইউনিয়নের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হবে। বর্তমান চেয়ারম্যানরাও থাকতে পারেন, আবার নতুন মুখও আসতে পারে, এটা দলের সিদ্ধান্তের বিষয়।’

ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে আবদুল হালিম উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান। এবার তাঁকে ভবানীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের সিদ্ধান্তে আমাকে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। তবে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব কি না, তা নিয়ে পরিবারসহ এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি।’

অপর দিকে সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মতিন বলেন, ‘আমি আগেও চেয়ারম্যান ছিলাম। এবারও দল আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তাই নির্বাচনে অংশ নেব এবং দ্রুত গণসংযোগ শুরু করব।’

সুঘাট ইউনিয়নের প্রার্থী লুৎফর রহমান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক ভিত শক্ত। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ যেতে পারবে না। আমাকে প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’

জাতীয় নির্বাচনের আলোচনার মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণার বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবদুল্লাহ আল মুস্তাফিধ বলেন, জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে ভালো নেতৃত্ব গড়ে তুলতেই দলীয়ভাবে এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণার ও গণসংযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বলেন, জামায়াতের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা তাদের সাংগঠনিক বিষয়। আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। নতুন সরকার গঠনের পর সিদ্ধান্ত হবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিষয় নিয়ে।

একটি মন্তব্য করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন