পদ্মা ট্রিবিউন | বাংলা নিউজ পেপার
বাংলাদেশ রাজনীতি বিশ্ব বাণিজ্য মতামত খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন ভিডিও

বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ-মানববন্ধন

প্রতিনিধি লক্ষ্মীপুর
বিএনপি নেতা শাহজাহান কবিরাজের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী
বিএনপি নেতা শাহজাহান কবিরাজের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা শাহজাহান কবিরাজের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দখল, হামলা, মামলা ও ভূমিদস্যুতার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ইউনিয়নের স্টিলব্রিজ থেকে উদমারা সড়কে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।


মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযোগসংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।


বক্তারা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী নেতা শাহজাহান কবিরাজের নেতৃত্বে তাঁর সহযোগীরা এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, দখল, হামলা এবং মিথ্যা মামলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছেন। এসব কারণে স্থানীয়রা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও তারা দাবি করেন।


মানববন্ধন থেকে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা।


সৌদি আরবপ্রবাসী মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “আমি প্রবাসে কষ্ট করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে এলাকায় একটি ভবন নির্মাণ করছি। চাঁদা না দেওয়ায় গত ১৫ দিন ধরে আমার ভবনের নির্মাণকাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাই।”


মানববন্ধন শেষে হুমায়ুন কবির, জাকির, তফাজ্জল হোসেন, মুরাদ হোসেন, বৃদ্ধ জাহের মাঝি, বোরহান কবিরাজ ও শামছুন্নাহার বেগমসহ অংশগ্রহণকারীরা এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন।


তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহজাহান কবিরাজ। তিনি বলেন, “যুবদল নেতা জাকির হোসেনের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। অভিযোগগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।”

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

How did this article make you feel?

Related Articles

0 Comments

No comments yet. Be the first to share your thoughts!

Leave a Comment

Moderated — may take a moment.