বর্ণিল উৎসবে মাতবে দেশ, ঘোষণা করা হলো জাতীয় কর্মসূচি
![]() |
| বর্ষবরণের শোভাযাত্রা | ফাইল ছবি |
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এই কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
প্রতিবছরের মতো এবারও নববর্ষ উদ্যাপনকে জাতীয় উৎসবে পরিণত করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে বিস্তৃত কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রির বাণীসহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে বর্ষবরণ শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন। ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতারে নববর্ষের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হবে এবং বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচারিত হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখী র্যালি, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও লোকজ মেলা আয়োজন করা হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠান হবে। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন করা হবে। শিশু একাডেমির মাধ্যমে শিশুদের অংশগ্রহণে বিশেষ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। বিসিক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার উদ্যোগে বৈশাখী মেলা আয়োজন করা হবে। কারাগার, হাসপাতাল ও শিশু পরিবারে বিশেষ খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।
এছাড়া আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, রচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ প্রদান করা হবে।
সভায় জানানো হয়, সব কর্মসূচি ঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Comments
Comments