[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চোখ সেলাই করা ঘুঘু শিকারের ফাঁদে পড়ল

প্রকাশঃ
অ+ অ-
পাখি শিকারের কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে পোড়ানো হচ্ছে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

পাখি শিকারের জন্য বিষাক্ত ফাঁদ পেতেছিল দুর্বৃত্তরা। সেই ফাঁদে একটি ঘুঘুর পা সুতা দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুধু তা-ই নয়, পাখিটির পালক ছেঁটে দুই চোখ সুতা দিয়ে সেলাই করে দিয়েছিল তারা। নিষ্ঠুর এই দৃশ্যটি চোখে পড়ে এক বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তার। তিনি ঘুঘুটিকে উদ্ধার করে চোখের সেলাই খুলে দেন। বর্তমানে আহত পাখিটি স্থানীয় এক ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে সুস্থ হয়ে উঠছে। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার হাকালুকি হাওরসংলগ্ন সিংহনাদ-জগতপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

হাকালুকি হাওরের উন্নয়নে কর্মরত বেসরকারি সংস্থা সিএনআরএস-নবপল্লব-এর কুলাউড়া কার্যালয়ের মাঠ কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, নাগুয়া-লরিবাই বিলের পাড়ে তাদের সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা লাগানো হয়েছে। গত ৯ মার্চ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সেই বাগান দেখাতে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। এখন বিল ছাড়া হাওরের বাকি সব জমি শুকনা। সিংহনাদ-জগতপুর গ্রাম দিয়ে হাওরে ঢোকার সময় তারা দেখতে পান, ফাঁকা জমিতে পাশাপাশি দুটি জাল পাতা রয়েছে। জালে একটি ঘুঘু বন্দি। পাশে দুই যুবক ঘোরাঘুরি করছিলেন, কিন্তু গাড়ি দেখে তারা দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়েন।

তৌহিদুর রহমান বলেন, গাড়ি থামিয়ে তারা পাখিটির কাছে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন, শক্ত সুতা দিয়ে ঘুঘুটির পা বেঁধে জালে আটকে রাখা হয়েছে। পাখিটির দুই ডানা ও লেজের কিছু অংশের পালক কেটে ফেলা হয়েছিল। এমনকি সুতা দিয়ে দুই চোখ সেলাই করে দেওয়ায় পাখিটি কিছুই দেখতে পাচ্ছিল না। এই অবস্থায় তারা পাখিটিকে উদ্ধার করে চোখের সেলাই খুলে দেন। পরে মুহিব আলী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তির জিম্মায় ঘুঘুটিকে রেখে আসা হয়। পাখিটি পুরোপুরি সেরে উঠতে ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন