[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় নেওয়ার প্রক্রিয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন

প্রকাশঃ
অ+ অ-
রাজশাহীতে নেসকোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘রাজশাহীর সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে’ মানববন্ধন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের হেতেমখাঁ এলাকায় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (নেসকো) প্রধান কার্যালয় রাজশাহী থেকে বগুড়ায় স্থানান্তরের প্রস্তাবের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলে রাজশাহীর অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের হেতেমখাঁ এলাকায় নেসকোর প্রধান কার্যালয়ের সামনে ‘রাজশাহীর সর্বস্তরের জনগণের’ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে বিভাগীয় শহর হিসেবে রাজশাহীতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। যোগাযোগব্যবস্থা ভালো হওয়ায় এবং অসংখ্য শ্রমিক-কর্মচারীর জীবিকা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত থাকায় প্রধান কার্যালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। তাঁরা আরও বলেন, কার্যালয় স্থানান্তর করা হলে নতুন অবকাঠামো নির্মাণে বিশাল অঙ্কের ব্যয় হবে, অথচ রাজশাহীতে ইতিমধ্যে সব ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও অবকাঠামো বিদ্যমান।

বক্তারা অভিযোগ করেন, একটি অসাধু চক্র ষড়যন্ত্র করে এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরটি সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এ সময় তাঁরা প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নেসকোর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতেই রাখার দাবি জানান।

কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বোয়ালিয়া থানা পশ্চিম বিএনপির আহ্বায়ক শামসুল হোসেন (মিলু), রাজশাহী নেসকো শ্রমিকদলের সভাপতি শরিফুল ইসলাম, মহানগর যুবদলের সদস্যসচিব রফিকুল ইসলাম, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম নেসকোর প্রধান কার্যালয় বগুড়ায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে একটি আধা সরকারি (ডিও) চিঠি দেন। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, নেসকোর অপারেশনাল এলাকা পঞ্চগড় থেকে পাবনা পর্যন্ত বিস্তৃত হওয়ায় রংপুর বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা কঠিন হচ্ছে। বগুড়া মধ্যবর্তী স্থানে হওয়ায় সেখানে সদর দপ্তর স্থাপন করলে কার্যক্রমে গতি আসবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রতিমন্ত্রীর চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩ মার্চ বিদ্যুৎ বিভাগ একটি সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটি গঠন করেছে, যাদের এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই খবর জানাজানি হওয়ার পর থেকেই রাজশাহীতে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলার ৩৯টি উপজেলা ও শহরাঞ্চলে উন্নত বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে নেসকো বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি ৬০টি বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের মাধ্যমে গ্রাহক সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন