[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

তোফাজ্জল হত্যা মামলা: আদালতে আবেদনের পর আসামি উধাও

প্রকাশঃ
অ+ অ-
তোফাজ্জল হোসেন | ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তোফাজ্জল হোসেন নামের এক যুবককে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আত্মসমর্পণের আবেদন জমা দিয়ে পালিয়ে গেছেন এক আসামি। তাঁর নাম মো. রাশেদ কামাল অনিক (২৩)। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী।

গত রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে তাঁর পক্ষে আইনজীবী জামাল উদ্দিন আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন জমা দেন। পরে এ বিষয়ে শুনানির সময় রাশেদ ও তাঁর আইনজীবীকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার এই মামলায় ২৮ আসামির বিরুদ্ধে দেওয়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। এর মধ্যে রাশেদ কামাল অনিকসহ ২২ জন পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার আসামিদের মধ্যে মো. আহসান উল্লাহ ওরফে বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম জামিনে রয়েছেন। এ ছাড়া শিক্ষার্থী মো. জালাল মিয়া, আল হোসেন সাজ্জাদ, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ এবং সুমন মিয়া গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মামলার অন্য আসামিরাও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী।

২০২৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক তোফাজ্জল হোসেনকে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন শাহবাগ থানায় মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে ২৫ সেপ্টেম্বর নিহতের বোন হলের প্রভোস্টসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে আরেকটি মামলার আবেদন করলে আদালত দুটি মামলার তদন্ত একসঙ্গে করার নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের তদন্তে ২১ জন শিক্ষার্থীসহ মোট ২৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এর আগে মামলার এজাহারে বলা হয়েছিল, ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে তোফাজ্জলকে হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। তাঁকে প্রথমে গেস্টরুমে নিয়ে মুঠোফোন চুরির অভিযোগে মারধর করা হয়। পরে তাঁকে ক্যানটিনে ভাত খাওয়ানো হয়। এরপর আবার দক্ষিণ ভবনের গেস্টরুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে হাত বেঁধে স্টাম্প ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হলে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। তিনি বরিশাল বিএম কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর শেষ করেছিলেন। তবে মানসিক সমস্যার কারণে তিনি কোনো কাজ করতেন না।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন