[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ব্যালটে ত্রুটির অভিযোগ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন স্থগিত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতি | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

ব্যালট পেপার ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার অভিযোগ ওঠায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মালেক মাইকে ঘোষণা দিয়ে ভোট গ্রহণ স্থগিত করেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মালেক রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাংবাদিকদের বলেন, ‘একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ব্যালটে কোনো ত্রুটি ছিল না, তবে আমাদের কাজের জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ প্রয়োজন।’

আইনজীবী সমিতি সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে। মোট ৬৮৯ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫৪ জন ভোট দেন। এরপর ভোট গণনা শুরু হয়।

কয়েকজন আইনজীবী জানান, রাত নয়টা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত মোট ২২৫টি ভোট গণনা করা হয়। এ সময় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুধীর চন্দ্র ঘোষ একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে বলা হয়, ভোটারের ব্যালট ও মুড়িতে একই ক্রমিক নম্বর থাকায় গোপনীয়তা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি ভোট গ্রহণ ও নির্বাচন স্থগিতের আবেদন করেন। সভাপতি প্রার্থী আবদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমানও মৌখিকভাবে একই আবেদন জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন স্থগিত করেন।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে আইনজীবী সমিতি ভবনের সামনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। ভবনের দ্বিতীয় তলায় আইনজীবীদের হইচই শোনা যাচ্ছিল। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকিব উর রাজার নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা সেখানে অবস্থান নেন।

সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সহসভাপতি আবদুর রহমান এবং মফিজুর রহমান সভাপতি পদে প্রার্থী ছিলেন। এ ছাড়া অন্যান্য পদেও বিভিন্ন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মফিজুর রহমান বলেন, কোনো সমস্যা ছিল না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোট গণনার সময় নির্বাচন স্থগিত করেছেন, যা নিয়মবহির্ভূত এবং সম্মানহানি করেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবদুল মালেক এ বিষয়ে বলেন, ‘সারা দিন আমরা নির্বাচন পরিচালনা করেছি। প্রায় ২০০ ভোট গণনাও করা হয়েছে। একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নির্বাচন বন্ধ করেছি। তাঁরা বলেছেন, ব্যালটে কোনো ত্রুটি ছিল না। তবে আমাদের কাজ করার মতো পরিবেশ থাকতে হবে। তখন ভোট গণনার কোনো পরিবেশ ছিল না।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম এম রকিব উর রাজা বলেন, সব ব্যালট সিলগালা করে আইনজীবীদের জিম্মায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের কক্ষে রাখা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন