কয়েক মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ১৮ ঘণ্টা পর ফিরল বিদ্যুৎ
প্রকাশঃ
![]() |
| ঝড়ে ভেঙে পড়েছে টিনের ঘর | ছবি: সংগৃহীত |
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মাত্র কয়েক মিনিটের ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে বিভিন্ন উপজেলা। ঝড়ের তীব্রতায় গাছপালা উপড়ে পড়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও আমবাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে বিদ্যুৎ নিয়ে। পল্লী বিদ্যুতের ৮টি খুঁটি ভেঙে পড়ায় টানা ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় কাটাতে হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার গ্রাহককে।
গত রোববার রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর উপজেলার মানুষ। বিশেষ করে পানির পাম্প চালাতে না পেরে গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট দেখা দেয়।
ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ইব্রাহীম জানান, ডাকবাংলো এলাকায় একসঙ্গে ৪টি খুঁটিসহ মোট ৮টি খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে কারিগরি দল মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ঝড়ে জেলার ৫টি উপজেলাতেই কমবেশি ক্ষতি হলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আমচাষিরা। রহনপুরের আমচাষি আব্দুর রাজ্জাক ও শিবগঞ্জের মোজতবা আলম জানান, গাছে সবেমাত্র মুকুল থেকে গুটি বের হয়েছিল। ঝড়ের ঝাপটায় অর্ধেকের বেশি গুটি ঝরে গেছে এবং অনেক বড় বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। এতে এবার ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের তীব্রতায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। আলিনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমা বেগম জানান, চোখের সামনেই তাঁর ঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় সন্তানদের নিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।
গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকের আলী মুন্সি বলেন, ‘ঝড়ে ঘরবাড়ি ও কৃষির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আমরা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছি।’
গত রোববার রাত ৯টা থেকে শুরু হওয়া ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। সোমবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত টানা ১৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ভোলাহাট ও গোমস্তাপুর উপজেলার মানুষ। বিশেষ করে পানির পাম্প চালাতে না পেরে গৃহস্থালি কাজে তীব্র সংকট দেখা দেয়।
ভোলাহাট পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. ইব্রাহীম জানান, ডাকবাংলো এলাকায় একসঙ্গে ৪টি খুঁটিসহ মোট ৮টি খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে কারিগরি দল মেরামতের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
ঝড়ে জেলার ৫টি উপজেলাতেই কমবেশি ক্ষতি হলেও সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আমচাষিরা। রহনপুরের আমচাষি আব্দুর রাজ্জাক ও শিবগঞ্জের মোজতবা আলম জানান, গাছে সবেমাত্র মুকুল থেকে গুটি বের হয়েছিল। ঝড়ের ঝাপটায় অর্ধেকের বেশি গুটি ঝরে গেছে এবং অনেক বড় বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। এতে এবার ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
গোমস্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের তীব্রতায় কাঁচা ও আধাপাকা ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। আলিনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা নাজমা বেগম জানান, চোখের সামনেই তাঁর ঘরের চাল উড়ে যাওয়ায় সন্তানদের নিয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নিতে হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে রাস্তাঘাট বন্ধ হওয়ারও খবর পাওয়া গেছে।
গোমস্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকের আলী মুন্সি বলেন, ‘ঝড়ে ঘরবাড়ি ও কৃষির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। আমরা জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করেছি।’

Comments
Comments