রবি চৌধুরীর অভিযোগ অস্বীকার করলেন ডলি সায়ন্তনী
![]() |
| ডলি সায়ন্তনী | ছবি: সংগৃহীত |
সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনী ভালোবেসে সংসার শুরু করেছিলেন। তবে তাঁদের সেই ঘর বেশি দিন টেকেনি। বিচ্ছেদ নিয়ে দীর্ঘ সময় দুজনেই চুপ ছিলেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে রবি চৌধুরী তাঁদের সংসার ভাঙার বিষয়ে কথা বলেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, বিপ্লব নামের এক গাড়িচালকের সঙ্গে ডলির সম্পর্ক ছিল এবং এটিই ছিল তাঁদের বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ। রবি চৌধুরীর এমন অভিযোগের পর নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন ডলি সায়ন্তনী।
বুধবার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডলি সায়ন্তনী জানান, রবি চৌধুরীর এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। ফেসবুকে তিনি লেখেন, ‘সম্প্রতি আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যে বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তা পুরোপুরি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি ইচ্ছে করে এই বিষয় নিয়ে কোনো তর্কে জড়াতে চাই না। সম্মান ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। ব্যক্তিগত বিষয়কে দয়া করে আলোচনার বিষয় বানাবেন না।’
ডলি সায়ন্তনী জানান, বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত রবি চৌধুরী নেননি, বরং তিনি নিজেই নিয়েছিলেন। তবে কেন বিচ্ছেদ হয়েছিল, তা এখন বিস্তারিত জানাতে চান না তিনি। ডলি লেখেন, ‘আমাদের চুপ থাকাকে দুর্বলতা ভাবার সুযোগ নেই। আমরা আমাদের মতো আছি। তবে একটি বিষয় পরিষ্কার বলতে চাই, যে বিচ্ছেদ নিয়ে এত কথা হচ্ছে, সেই বিচ্ছেদ আমিই দিয়েছিলাম। কেন দিয়েছিলাম, তা এই মুহূর্তে আর বলতে চাই না। বিচ্ছেদের পর সেই সময়েই জনসম্মুখে সংবাদ সম্মেলনে সব বিস্তারিত বলেছিলাম। তাই এত বছর পর এসব নিয়ে উদ্দেশ্যমূলক বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রচার হওয়া ওই আলাপচারিতায় রবি চৌধুরী জানান, কোরিয়ায় থাকার সময় বিপ্লব নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়। সেই ব্যক্তি সেখানে তাঁদের গাড়ি চালাতেন। রবি চৌধুরীর দাবি, পরবর্তী সময়ে বিপ্লবের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ডলি এবং এর প্রমাণ তাঁর কাছে ছিল। বিষয়টি তিনি ডলি সায়ন্তনীর ভাই বাদশা বুলবুলকেও জানিয়েছিলেন। পরে বিয়ের বাইরের এই সম্পর্কের কারণে ডলিকে বিচ্ছেদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান রবি চৌধুরী।

Comments
Comments