[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নির্বাচনী দায়িত্ব পালন না করায় বরখাস্ত, পরে জানা গেল চাকরিতেই নেই তিনি

প্রকাশঃ
অ+ অ-
রাঙামাটির বিলাইছড়ি | ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করায় রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ওই কর্মকর্তার নাম আবদুল্লাহ আল মামুন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে উপজেলার রাইমংছড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে তাঁকে সহকারী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা (সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কমিশনকে কিছু না জানিয়েই তিনি নির্বাচনের দিন অনুপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচন কমিশন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও আবদুল্লাহ আল মামুন পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের মাঠ কর্মকর্তার পদ থেকে আগেই ইস্তফা দিয়ে চলে গেছেন। বর্তমানে তিনি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত না থাকায় এই সাজা কে কার্যকর করবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠি থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

চিঠিতে বলা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে রাঙামাটি ২৯৯ আসনে বিলাইছড়ি উপজেলার রাইমংছড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে আবদুল্লাহ আল মামুন নিয়োগ পান। তিনি কোনো কারণ ছাড়াই দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন, যা নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন অনুযায়ী অসদাচরণ। এর ফলে তাঁকে দুই মাসের জন্য চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসনাত জাহান খান জানান, আবদুল্লাহ আল মামুন নির্বাচনের প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছিলেন। এরপরও কেন তিনি দায়িত্ব পালন করেননি, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

মামুনের চাকরি ছাড়ার বিষয়ে ইউএনও বলেন, তিনি যেহেতু এখন আর কর্মরত নেই, তাই সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি কার্যকর হবে না। তবে নির্বাচন কমিশনের আইনে এ ক্ষেত্রে কী নিয়ম আছে, তা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আমিনুল হক জানান, আবদুল্লাহ আল মামুন মাঠ কর্মকর্তা ছিলেন। অন্য জায়গায় চাকরি হওয়ায় তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তবে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ফাতেমা আহমেদ এই বরখাস্তের আদেশের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন