[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যুবককে সোপর্দ, পুলিশের দাবি ‘ভুল-বোঝাবুঝি’

প্রকাশঃ
অ+ অ-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় | ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এক পথশিশুকে হেনস্তার অভিযোগ তুলে এক যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হল সংলগ্ন ফুটপাত থেকে তাঁকে আটক করে শাহবাগ থানায় দেওয়া হয়। তবে পুলিশ বিষয়টিকে ‘ভুল-বোঝাবুঝি’ বলে দাবি করেছে।

আটক যুবকের নাম মাহবুবুর রহমান। তিনি পাশের পলাশী মার্কেটে দুধ সরবরাহের কাজ করেন বলে জানা গেছে।

এই ঘটনা নিয়ে বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ডাকসুর সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য সর্বমিত্র চাকমা। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ওই যুবককে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পাশের ফুটপাতে এক পথশিশুকে হেনস্তার চেষ্টার সময় হাতেনাতে আটক করেন শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মীরা (প্রক্টোরিয়াল টিম)। এরপর কোনো শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সর্বমিত্র চাকমা তাঁর পোস্টে আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁর কাছে অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘অভিযুক্ত তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এই কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এই কাজ করতে গিয়েছিলেন।’ মামলার বাদী হওয়ার মতো কেউ না থাকায় ও আইনি জটিলতার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত মুচলেকা নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিষয়টি নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝি হয়েছে। ঘটনার বর্ণনায় তিনি বলেন, ‘না না, এ রকম কিছু না। ওটা একটা ভুল-বোঝাবুঝি। ক্যাম্পাসে খাবার পৌঁছে দিতে আসা এক যুবক ফুটপাত দিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিতে যান। এ সময় সেখানে বসে থাকা এক পথশিশুর সঙ্গে কথা বলতে যান। ভয় পেয়ে মেয়েটি সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ওই সময়ে ক্যাম্পাসের তিন-চারজন ছেলে দেখেছে সে সাইকেল নিয়ে থেমেছে, যার ফলে তাদের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়।’

ওসি আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে তাঁকে শাহবাগ থানা গেটের সামনে নিয়ে আসা হলে পুরো বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তাকর্মীরা নিশ্চিত হন যে এটি একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল। কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য প্রমাণিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীরাই যুবকটিকে সেখান থেকে ছেড়ে দেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন