[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব স্থগিত, শাহ্‌ মখদুম কলেজে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
শিক্ষককে মারধর ও চাঁদাদাবির মামলাটিকে মিথ্যা দাবি করে রাজশাহীতে ছাত্রদলের মানববন্ধন। রোববার বিকেলে নগরের সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

 রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজের এক শিক্ষককে মারধরের অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রদলের এক নেতার ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত রোববার বিকেলে কলেজ পরিচালনা কমিটির এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম আবদুল্লাহ আল মারুফ। তিনি ওই কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র এবং কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

শাহ মখদুম কলেজের অধ্যক্ষ এস এম রেজাউল ইসলাম জানান, পরিচালনা কমিটির সভায় রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আসাদুজ্জামানকে মারধরের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। পরে ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওই ছাত্রের বিষয়ে পরবর্তী স্থায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে ওই শিক্ষকের করা মামলায় গত ৬ মার্চ রাতে আবদুল্লাহ আল মারুফসহ দুই ছাত্রনেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন শনিবার আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়, বেশ কয়েক মাস ধরে রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ানকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষক আসাদুজ্জামানের কাছে চাঁদা দাবি করছিলেন আবদুল্লাহ আল মারুফ। শিক্ষক টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় গত বছরের ২৬ নভেম্বর তাঁরা তাঁকে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেন। পরে চলতি বছরের ৪ মার্চ নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকায় বাসার সামনে একা পেয়ে আসাদুজ্জামানকে মারধর করেন তাঁরা। এ সময় তাঁকে আবারও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

এদিকে রোববার বিকেলে নগরের সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে এক মানববন্ধনে ছাত্রদল নেতারা দাবি করেছেন, এই মামলাটি মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রাজশাহীতে কলেজশিক্ষককে মারধর
Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন