[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশঃ
অ+ অ-
রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন। আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী নগরের সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন    

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতিবাজ আখ্যা দিয়ে উপাচার্য জাওয়াদুল হককে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘সচেতন রাজশাহীবাসী’র ব্যানারে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। তাঁকে পদ থেকে সরাতে তিন দিনের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণে সম্প্রতি ৬টি প্যাকেজে ৭৭৭ কোটি টাকার দরপত্র আহ্বান করেছেন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ও উপাচার্য জাওয়াদুল হক। এসব কাজ পাইয়ে দিতে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৯ শতাংশ কমিশন দাবির অভিযোগ উঠেছে।

জেনিট করপোরেশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক আতাউর রহমানের দাবি, দরপত্রের মাধ্যমেই উপাচার্য তাঁকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন এবং বিনিময়ে ৯ শতাংশ কমিশন চেয়েছিলেন। এই নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর রাজশাহীতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

মানববন্ধনে জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাইদুর রহমান ঘোষণা দেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে উপাচার্য জাওয়াদুল হককে সরাতে হবে। তা না হলে উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করা হবে।

সাইদুর রহমান বলেন, উপাচার্য আপাদমস্তক দুর্নীতিতে জড়িত। তিনি দায়িত্ব নিয়েই ক্যাম্পাসের কয়েক হাজার গাছের আম লুট করেছেন। দরপত্র ছাড়াই কয়েক হাজার গাছ কেটেছেন এবং পরে কোটি টাকার গাছ নামমাত্র মূল্যে একটি চক্রের হাতে তুলে দিয়েছেন। এখন আবার ৭৭৭ কোটি টাকার কাজ দিতে ঠিকাদারের কাছে ৯ শতাংশ কমিশন চেয়েছেন।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) রাজশাহীর সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা মামুন বলেন, এই উপাচার্য আওয়ামী লীগের আমলে কলেজ পরিদর্শক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকসহ গুরুত্বপূর্ণ সাতটি পদে ছিলেন। তখনই দুর্নীতি করে টাকা জমিয়েছেন এবং সেই টাকায় উপাচার্য হয়েছেন। এখন সেই টাকা তুলতে ঠিকাদারদের কাছে কমিশন চাইছেন।

কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহজাহান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, জননেতা আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আসলাম-উদ-দৌলা, সামাজিক সংগঠক সালাহউদ্দিন মিন্টু এবং ব্যবসায়ী নেতা শফিকুর রহমানসহ অনেকে।

এদিকে নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পর একই দিন সকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন উপাচার্য জাওয়াদুল হক। সেখানে তিনি বলেন, যে দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে, তারা এখন পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কাজ করেনি। তাই তাদের কাছে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ হাস্যকর। নিয়ম মেনেই সব কাজ করছেন বলে তিনি দাবি করেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন