[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নিকলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে সাংবাদিক আটক, ঘটনার পেছনে কী

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত এবং সাংবাদিক আলি জামশেদ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে বাধা দেওয়া ও ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগে এক সাংবাদিককে আটক করা হয়েছিল। গত ১২ মার্চ দুপুরে উপজেলার হাসপাতাল মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। আটকের পর ওই সাংবাদিককে আদালতে পাঠানো হলে সেই রাতেই তিনি জামিনে মুক্তি পান।

আটক হওয়া আলি জামশেদ (৫০) দৈনিক নয়াদিগন্ত পত্রিকার বাজিতপুর উপজেলা সংবাদদাতা। পাশাপাশি তিনি কালবেলা পত্রিকার নিকলী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করেন। তাঁর অভিযোগ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্তের অনিয়ম নিয়ে খবর প্রকাশ করায় তাঁকে আটক করা হয়েছিল। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সহকারী কমিশনার প্রতীক দত্ত।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তের নেতৃত্বে নিকলী হাসপাতাল মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চলছিল। এ সময় সাংবাদিক আলি জামশেদও সেখানে ছিলেন। আদালত তাঁর কাছে চালক সনদ (ড্রাইভিং লাইসেন্স) ও মোটরসাইকেলের কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। ওই সময় তিনি দাবি করেন, মোটরসাইকেলটি তাঁর নয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন আলি জামশেদ।

সাংবাদিক আলি জামশেদ বলেন, ‘আগে সংবাদ প্রকাশের কারণে পুরোনো রাগ মেটাতে আমাকে আটক করা হয়। পরে বিকেলে থানার গাড়িতে করে কিশোরগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়। রাত ১০টার দিকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সব দেখে আমাকে জামিন দেন। এই ঘটনায় আমি ও আমার পরিবার মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।’ উল্লেখ্য, ঘটনার দিন এবং এর আগেও প্রতীক দত্তের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ এনে সংবাদ করেছিলেন আলি জামশেদ।

সাংবাদিককে আটকের বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রতীক দত্ত বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় নিবন্ধনহীন একটি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। চালক আলি জামশেদের কাছে চালক সনদ চাইলে তিনি তা দেখাতে পারেননি। এ সময় তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন এবং এলাকার লোকজনকে এনে হুমকি দিতে থাকেন। তিনি আরও জানান, জামশেদ অপরাধ স্বীকার না করায় তাঁকে কোনো শাস্তি না দিয়ে আটকের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজে বাধা ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন