ইবি শিক্ষক আসমা সাদিয়া হত্যাকাণ্ড: মহিলা পরিষদের উদ্বেগ ও বিচার দাবি
![]() |
| বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ |
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ক্যাম্পাসে নিজ কার্যালয়ে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়াকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার সংগঠনের সভাপতি ফওজিয়া মোসলেম ও সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই উদ্বেগ ও দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঘরে-বাইরে বা কর্মক্ষেত্রে—নারী ও কন্যারা কোথাও নিরাপদ নয়। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়েও নারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরনের সহিংসতার শিকার হচ্ছেন। এতে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ও নিরাপত্তা চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে নারীদের স্বাধীন চলাচল ও স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে।
বিবৃতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে নারীর প্রতি সব ধরনের সহিংসতা ও অপতৎপরতা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেল চারটার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি আসমা সাদিয়া নিজ দপ্তরে নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা গেছে, নিহত শিক্ষকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ২০টির বেশি আঘাত করা হয়েছে।

Comments
Comments