শেষ কর্মদিবসে কমলাপুর রেলস্টেশনে হুড়োহুড়ি
![]() |
| প্ল্যাটফর্মে ঈদে ঘরমুখো মানুষে ভিড়। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, ১৬ মার্চ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন |
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির আগে শেষ কার্যদিবস সোমবার। গত দুই দিনের তুলনায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে। অনেকে ট্রেন ধরার জন্য স্টেশনে ছুটছেন।
দুপুরে সরেজমিন কমলাপুর রেলস্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ঘুরে দেখা গেছে মানুষের ভিড়। হাতে মালপত্র, সঙ্গে ছোট শিশু—সব মিলিয়ে উৎসবের আগে বাড়ি ফেরার ব্যস্ত চিত্র ফুটে উঠেছে। অনেকেই প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে বা বসে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন।
হঠাৎ মাইকে ট্রেন আসা বা ছেড়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে। অনেকে তড়িঘড়ি করে নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। কেউ আবার মালপত্র গুছিয়ে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে লাইনে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। ট্রেন প্ল্যাটফর্মে ঢুকতেই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যাচ্ছে।
৬ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দেখা মিলল ব্যাংক কর্মকর্তা আয়াতুল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আজ শেষ অফিস ছিল। আগেভাগে অফিস থেকে বের হয়ে বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছি। ছেলেমেয়েদের স্কুল ছুটি হওয়ায় আগেই পাঠিয়ে দিয়েছি।’
একই প্ল্যাটফর্মে অপেক্ষায় থাকা বেসরকারি চাকরিজীবী আল-আমিন বলেন, ‘আমাদের অফিস খোলা আছে। আমি ছুটি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সারা বছর তো কাজ করি। ঈদের সময়টা শুধুই পরিবারের জন্য।’
শেষ কার্যদিবসে গত তিন দিনের তুলনায় স্ট্যান্ডিং টিকিটের যাত্রীও বেড়েছে। ৭ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ছেড়ে যাওয়া রাজশাহীগামী সিল্ক সিটি এক্সপ্রেসে উঠতে অনেক যাত্রীকে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এক যাত্রী অভিযোগ করেন, ‘বাড়িতে তো সবাই যাবে। কিন্তু আমরা যাঁরা টিকিটের যাত্রী, আমাদের তো উঠতে দেবে না।’
যারা শেষ কার্যদিবসে সড়কে যানজট হতে পারে ভেবে আগেভাগে স্টেশনে এসেছেন, তাঁদের মধ্যে একজন সায়েদ আবদুল্লাহ। তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘আমার বাসা মোহাম্মদপুরে। আজ রাস্তায় যানজট হবে জানি। এজন্য আগে চলে এসেছি।’

Comments
Comments