[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

চরফ্যাশনে প্রশাসনের অভিযানের প্রতিবাদে সাত রুটে বাস ধর্মঘট

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় আন্তমহাসড়কসহ সাতটি রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস ও মিনিবাস শ্রমিকেরা। সোমবার দুপুরে বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় যানজট নিরসনে প্রশাসনের অভিযানের প্রতিবাদে ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কসহ সাতটি পথে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন শ্রমিকেরা। সোমবার দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘটে সমর্থন দিয়েছে জেলা বাস মালিক সমিতিও।

বন্ধ থাকা পথগুলো হলো—ভোলা-চরফ্যাশন, ভোলা-দৌলতখান, ভোলা-ইলিশা, ভোলা-ভেদুরিয়া, ভোলা-তজুমদ্দিন, চরফ্যাশন-দুলারহাট এবং চরফ্যাশন-দক্ষিণ আইচা। হুট করে বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। অনেককে বাড়তি টাকা খরচ করে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন শহরের যানজট কমাতে পৌরসভার মুখরবান্দা এলাকায় একটি নতুন বাসস্ট্যান্ড করা হয়। সিদ্ধান্ত ছিল, ভোলাগামী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা ওই স্ট্যান্ড থেকে ছাড়বে। আর দক্ষিণাঞ্চলের যানবাহন চলবে বিআরডিবি মোড় থেকে। কিন্তু চালকেরা এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি না মানায় শহরে আবারও তীব্র যানজট তৈরি হয়। এই অবস্থায় সোমবার দুপুরে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়ে দূরপাল্লার বাসগুলোকে নতুন স্ট্যান্ডে সরিয়ে দেয়। এর পরপরই শ্রমিকেরা সব পথে বাস চলাচল বন্ধ করে দেন।

চরফ্যাশন উপজেলার দায়িত্বে থাকা ভোলা বাস মালিক সমিতির সদস্য রিয়াজ শিকদার বলেন, তাঁরা প্রশাসনের সব সিদ্ধান্ত মেনে চললেও সিএনজিচালকেরা শহরের অলিগলি থেকে যাত্রী তুলে বিভিন্ন ঘাটে চলে যাচ্ছে। এতে বাসমালিকেরা লোকসানে পড়ছেন।

অন্যদিকে চরফ্যাশন সিএনজি মালিক-চালক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম হাওলাদারের দাবি, তাঁরা নিয়ম মানলেও বাসমালিকেরা মানছিলেন না বলেই প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।

বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিজানুর রহমান অভিযোগ করেন, অভিযান চলাকালে তাঁদের বাসে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে এবং চালকদের ওপরও হামলা হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বাস চলাচল বন্ধ থাকবে বলে তিনি জানান।

ভোলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান বলেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়ক। এখানে বাস চলাচলে বাধা দিলে পুরো পরিবহন ব্যবস্থা ব্যাহত হবে।

তবে বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলে দাবি করেছেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লোকমান হোসেন। তিনি বলেন, শহরের যানজট কমাতে এবং আগের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করতেই বাস ও সিএনজিগুলোকে নির্দিষ্ট স্থানে সরতে বলা হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন