গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশে পরিবর্তন নয়, অবিলম্বে আইন করার দাবি অধিকারের
![]() |
| মানবাধিকার সংগঠন অধিকার |
অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫–এ কোনো পরিবর্তন চান না মানবাধিকার সংগঠন অধিকার। কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এই দুটি অধ্যাদেশ দ্রুত সংসদে আইন হিসেবে পাস করাসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে তারা।
গতকাল শনিবার সাভারে শুরু হওয়া তিন দিনের এক কর্মশালায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বর্তমান সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরে অধিকার।
গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে প্রচার ও নীতিনির্ধারণে প্রভাব তৈরির এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অধিকারের উদ্যোগে এবং এশিয়ান ফেডারেশন এগেইনস্ট ইনভলান্টারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেসের সহায়তায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
কর্মশালায় জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রশিক্ষণে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন ধরন, এর প্রভাব এবং তা প্রতিরোধে প্রচারাভিযান নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বর্তমান সরকারের কাছে সাতটি দাবি তুলে ধরে অধিকার।
কোনো পরিবর্তন ছাড়াই গুম ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ দ্রুত সংসদে আইন হিসেবে পাস করা ছাড়া অধিকারের অন্য দাবিগুলো হলো: গুমের শিকার যাঁরা এখনো ফিরে আসেননি, তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো; গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা; ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ সনদ দেওয়া; গুমের শিকার ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবের জটিলতাসহ তাঁদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির সমস্যা দ্রুত সমাধান করা; গুমের পর ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা দ্রুত প্রত্যাহার করা; এবং গুমের শিকার ব্যক্তি ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

Comments
Comments