রাঙামাটি জেলা এনসিপির আহ্বায়কের পদত্যাগ
![]() |
| এনসিপির রাঙামাটি জেলা কমিটির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা | ছবি: ফেসবুক থেকে |
রাঙামাটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা পদত্যাগ করেছেন। বুধবার বিকেলে তিনি দল ছাড়ার ঘোষণা দেন। এর আগে ৫ মার্চ জেলা কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব উজ্জ্বল চাকমা এবং ৯ মার্চ জুরাছড়ি উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির ৮৭ জন নেতা একযোগে পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে জেলা কমিটির আহ্বায়ক বিপিন জ্যোতি চাকমা নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলকে শক্তিশালী করা, নতুন রাজনৈতিক ধারা গড়ে তোলা এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে আসছি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ করছি, সাংগঠনিক পর্যায়ে ধারাবাহিক অসহযোগিতা, বিভাগীয় ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সক্রিয়তার অভাব এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কিছু নেতার উসকানিতে দলের ভেতরে উপদল গড়ে উঠছে। এ কারণে দলীয় কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে চিন্তাভাবনা করে দলীয় সব কার্যক্রম এবং দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
বিপিন জ্যোতি চাকমা জানান, শিগগিরই কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে তিনি তাঁর আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র পাঠাবেন। তবে দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি যুক্ত থাকবেন বলে জানান।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রাঙামাটি জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব এম শোয়াইব বলেন, জেলা কমিটির আহ্বায়ক পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এখনো পদত্যাগপত্র পাঠাননি। তাই তিনি এখনো পদে বহাল রয়েছেন। কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশনা মোতাবেক পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গণহারে পদত্যাগের ফলে দলের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে এম শোয়াইব বলেন, দলের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। একজন পদত্যাগ করলে ১০০ জন আসবেন। ব্যক্তির চেয়ে দল বড়।
এ বিষয়ে জানতে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর মুঠোফোনে (ইন্টারনেট ভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম) একাধিকবার কল করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

Comments
Comments