[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নারীকে বাদ দিয়ে জাতীয় অগ্রগতি সম্ভব নয়: রাষ্ট্রপতি

প্রকাশঃ
অ+ অ-
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন 

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী নারী। তাঁদের রাষ্ট্র ও সমাজের মূলধারার বাইরে রেখে জাতীয় অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব নয়।

আজ রোববার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মহিলা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মিজ জিনাত আরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেগম খালেদা জিয়াসহ ছয়জনকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার তুলে দেন।

কবি নজরুলের কবিতার পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।’

তিনি বলেন, নারীর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে নারীবিষয়ক দপ্তর এবং ১৯৭৮ সালে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। পরে বেগম খালেদা জিয়া একে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন এবং নারী শিক্ষার প্রসারে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেন। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা ও উপবৃত্তি চালু করেন।

রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, নারী শিক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার এসব উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও নারী শিক্ষায় গুরুত্ব দিচ্ছে। স্নাতকোত্তর পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আগামী ১০ মার্চ থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে।

এ বছর বেগম খালেদা জিয়া ছাড়াও আরও পাঁচজন নারী ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার পেয়েছেন। তাঁরা হলেন—অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী ক্যাটাগরিতে নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবন সংগ্রামে জয়ী মোছা. শমলা বেগম এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানের জন্য মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন