[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

ঝড়ের কবলে লঞ্চ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীর ডুবোচরে আটকে পড়া লঞ্চ | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন   

ঢাকার সদরঘাট থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ায় যাওয়ার পথে ঝড়ের কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমবি সুগন্ধা নদীর ডুবোচরে (বগার চর) আটকা পড়ে। লঞ্চে থাকা ৭০–৮০ জন যাত্রী অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচতে পারলেও সবাই ওই চরে আটকা পড়েছেন। ভোর চারটার দিকে লক্ষ্মীপুরের মেঘনার মজু চৌধুরীর ঘাটের পূর্ব-দক্ষিণ অংশে এই ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত লঞ্চটি নদীতে নামানো যায়নি বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

লঞ্চে অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা থেকে হাতিয়ায় যাচ্ছিলেন হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা বিমান চন্দ্র আচার্য। তিনি বলেন, ভোর চারটার দিকে লঞ্চ মেঘনা নদী অতিক্রমের সময় হঠাৎ প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়। ঝোড়ো বাতাসের কারণে লঞ্চের মাস্টার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন, ফলে লঞ্চটি নদীর ডুবোচরে উঠে পলির সঙ্গে আটকে যায়। লঞ্চ ডুবোচরে আটকে যাওয়ার পর ভেতরে থাকা নারী-শিশুসহ যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন।

বিমান চন্দ্র আচার্য জানিয়েছেন, লঞ্চ আটকা পড়ার কারণে যাত্রীরাও চরে আটকা রয়েছেন। দুপুরে নদীতে জোয়ার উঠলেও তা পর্যাপ্ত না হওয়ায় লঞ্চ নদীতে নামানো যায়নি। বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত তাঁরা সেখানে আটকা ছিলেন এবং অনেকেই খেয়ে পাননি। বিষয়টি হাতিয়া কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে।

সাহায্যের আবেদন জানিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন দিনাজ উদ্দিন নামের এক ব্যবহারকারী, “ঝড়ের কবলে পড়া এমভি সুগন্ধা এখনো নদীতে আটকা। পর্যাপ্ত পানি থাকা সত্ত্বেও লঞ্চের অবস্থান পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। আশপাশে কোস্টগার্ড বা কোনো বড় লঞ্চ থাকলে উদ্ধার করার জন্য অনুরোধ করছি।”

হাতিয়ার কোস্টগার্ড, মিডিয়া কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন ধরেননি।

পরে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, তিনি হাতিয়া উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং লঞ্চ দ্রুত উদ্ধার করার জন্য দ্রুততম পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন