নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা পর ট্রেনের চাকা ঘুরল
![]() |
| নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের ৯টি বগি বগুড়ার আদমদীঘিতে লাইনচ্যুত হয়েছে। বুধবার বিকেলে দিকে উপজেলার সান্তাহার জংশনের অদূরে বাগবাড়ি এলাকায় | ফাইল ছবি |
বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেসের লাইনচ্যুতি হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন আবার সচল হয়। লাইনচ্যুতির কারণে ৯ জোড়া ট্রেন আটকা পড়েছিল, যার ফলে নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, আটকে পড়া ট্রেনগুলোর মধ্যে ছিল পঞ্চগড়-ঢাকা চলাচলকারী তিন জোড়া, নীলফামারী-খুলনা চলাচলকারী দুই জোড়া, এবং রাজশাহী-নীলফামারী চলাচলকারী বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেসের দুই জোড়া। এসব ট্রেনে থাকা বিপুলসংখ্যক ঈদের ঘরমুখী যাত্রী শান্তাহার জংশনের নিকটে বাগবাড়ি এলাকার দুই পাশে আটকা পড়েন। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ অন্য যানবাহনের মাধ্যমে এপার-ওপার করে ট্রেনে তুলে দেওয়ার আয়োজন করা হয়।
ঘটনার পর মহাপরিচালকের কার্যালয় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটিতে রাখা হয়েছে মেকানিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যাল ও অপারেটিং বিভাগের প্রধানদের। তারা তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পেছনে হিউম্যান ফেইলিয়র বা দায়িত্বহীনতার আশঙ্কা আছে। তিনি বলেন, ‘এখন একজনের দায় আরেকজনের ওপর চাপানো হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে আসল কারণ জানা যাবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ছয়টি গ্রাউন্ডেড বগি মেরামত না করা পর্যন্ত লাইন পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়নি।

Comments
Comments