[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

সংসদের অধিবেশন আজ, শুরু থেকেই উত্তাপের ইঙ্গিত

প্রকাশঃ
অ+ অ-
জাতীয় সংসদ | ফাইল ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। এই অধিবেশনের শুরুতেই উত্তাপ তৈরি হতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদে জুলাই জাতীয় সনদের সংবিধান-সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বাস্তবায়নের প্রশ্নে বিতর্ক ও উত্তেজনা বাড়তে পারে।

বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে অধিবেশন শুরু হবে। সংবিধান অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। তিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। সংসদে তাঁর বক্তব্য দেওয়া নিয়ে আপত্তি আছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির। এই বিষয় নিয়ে প্রথম বৈঠকেই উত্তাপ তৈরি হতে পারে—এমন আভাস দিয়েছেন দল দুটির একাধিক সূত্র।

রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে জামায়াত কী ভূমিকা নেবে, এমন প্রশ্নের জবাবে দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংসদের আইন প্রণেতাদের ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এ ব্যাপারে অনেক আলাপ-আলোচনা করেছি। আমাদের ভূমিকা আপনারা পরিষ্কার দেখতে পাবেন। যেমন সূর্য উঠবে, তেমন ভাষণ শুনবেন এবং আমাদের ভূমিকাও দেখবেন।’

এ ছাড়া জুলাই জাতীয় সনদে সংবিধান-সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাবে বিএনপির ভিন্নমত আছে। তারা নিজেদের মত অনুযায়ী এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের পক্ষে। অন্যদিকে জামায়াত ও এনসিপি জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায়। এই বিষয়টি নিয়ে বিরোধী দল সংসদে কঠোর অবস্থান নিতে পারে—এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, একটি নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। কার্যকর বিতর্ক, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক চর্চার কেন্দ্র হিসেবে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠিত হবে—এটাই সবার প্রত্যাশা।

কারণ দশম, একাদশ ও দ্বাদশ (যার মেয়াদ ছিল ৬ মাস ৮ দিন)—সর্বশেষ এই তিনটি সংসদই গঠিত হয়েছিল বিতর্কিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে। তিনটি সংসদই ছিল একতরফা। তখনকার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের বিপরীতে বিরোধী দল ছিল জাতীয় পার্টি। তারা রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। তিনটি সংসদেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলেমিশে একাকার হয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেয়। এর দেড় বছর পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে নির্বাচনের ফলাফলের সরকারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নেন নতুন সংসদ সদস্যরা।

সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের বৈঠক ডাকতে হয়। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার এক মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার বসছে প্রথম অধিবেশন।

জাতীয় সংসদের আইন প্রণেতাদের ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সংসদের প্রধান সচেতক নূরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ কেবল একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়। এটি দেশের মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা, আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটিয়ে জাতীয় সংসদের নতুন অধিবেশন শুরু হতে যাচ্ছে।

প্রধান সচেতক বলেন, তাঁদের লক্ষ্য হলো একটি কার্যকর, প্রাণবন্ত ও দায়িত্বশীল সংসদ পরিচালনা করা এবং সংসদকে দেশের সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা। তাঁরা সংসদে বিরোধী দলের গঠনমূলক ভূমিকা ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনার উদ্যোগ নিয়েছিল। এর মধ্যে সংবিধান-সংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাব বাস্তবায়নে গণভোট হয়েছিল। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠিত হওয়ার কথা।

জামায়াত ও এনসিপি থেকে নির্বাচিতরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও বিএনপি এই শপথ নেয়নি। ফলে এই পরিষদ গঠিত হয়নি। এতে শুরুতেই বাধাগ্রস্ত হয় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নেওয়া সংবিধান সংস্কারের উদ্যোগ।

অবশ্য বিএনপি বলছে, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি শব্দ ও অক্ষর তারা ধারণ করে এবং তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই প্রতিশ্রুতির বাইরেও বিএনপি যে ইশতেহার দিয়ে জনগণের সমর্থন লাভ করেছে, সেগুলোও বাস্তবায়ন করবে।

প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানো, কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানো, নিম্নকক্ষের ভোটের অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন, সংবিধান সংশোধনে উচ্চকক্ষের অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা; ন্যায়পাল, সরকারি কর্মকমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিধান সংবিধানে যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব আছে জুলাই সনদে। এগুলো নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত আছে।

সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় বিএনপি তাদের মতো করে সংবিধান সংশোধন করতে পারবে। এই প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংসদে ও সংসদের বাইরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

দেশের ৬৯ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছেন উল্লেখ করে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংসদের আইন প্রণেতাদের ভবনে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটাকে অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা এর পক্ষে ভূমিকা রেখে যাব এবং আমরা চাইব যে চারটি বিষয় গণভোটে দেওয়া হয়েছিল, তার সব কটি হুবহু গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হোক।’

বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও সংসদ সদস্য—দুটি শপথই নিয়েছেন উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুঃখের বিষয়, এখন পর্যন্ত সরকারি দল প্রথম শপথটি নেয়নি।’

অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কথা বলা হয়েছিল, সেটার ভবিষ্যৎ কী—এমন প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদের প্রধান সচেতক নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় তাঁরা সেই শপথ নেননি। ভবিষ্যতে এটি সংবিধানে যুক্ত হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সংবিধান সংস্কারের পাশাপাশি কিছু আইনি সংস্কারের প্রশ্নেও সংসদে উত্তাপ তৈরি হতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংস্কার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে কিছু বিষয়ে বিএনপির আপত্তি রয়েছে।

রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে অধিকাংশই তাঁরা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে বেশ কিছু অধ্যাদেশ রয়েছে, যেগুলো আলোচনার দাবি রাখে। সরকার ও বিরোধী দল মিলে সেগুলো আলোচনা করবে।

জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাব অনুযায়ী, সংসদ হবে দুই কক্ষের। উচ্চকক্ষ গঠিত হবে নিম্নকক্ষের ভোটের অনুপাতে। উভয় কক্ষে একজন করে উপাধ্যক্ষ (ডেপুটি স্পিকার) মনোনীত হবেন বিরোধী দল থেকে। এ ক্ষেত্রে বিএনপি একমত হলেও উচ্চকক্ষ গঠনের পদ্ধতি নিয়ে তাদের ভিন্নমত রয়েছে। তবে দলটি এবারের সংসদে বিরোধী দলকে উপাধ্যক্ষ পদ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এই পদটি নেবে কি না, তা বুধবার পর্যন্ত পরিষ্কার হয়নি।

বুধবার সংসদ ভবনে বিরোধী দলের বৈঠক শেষে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘জুলাই সনদেই আছে যে একজন উপাধ্যক্ষ বিরোধী দল থেকে হবেন। আমরা এটি আংশিকভাবে চাইছি না, আমরা চাই পুরো বিষয়টি একইভাবে গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হোক এবং এর ভিত্তিতে আমরা যেন আমাদের সঠিক দায়িত্ব পালন করতে পারি।’

সাধারণত বিদায়ী সংসদের অধ্যক্ষ (স্পিকার) বা উপাধ্যক্ষের সভাপতিত্বে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। তাঁদের সভাপতিত্বেই নতুন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নির্বাচন করা হয়। তবে এবার এর ব্যতিক্রম হচ্ছে। দ্বাদশ সংসদের অধ্যক্ষ শিরীন শারমিন চৌধুরী ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পদত্যাগ করার পর তাঁকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিদায়ী উপাধ্যক্ষ শামসুল হক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

দুপুরে জাতীয় সংসদের আইন প্রণেতাদের ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে প্রথম দিনের কার্যক্রম সম্পর্কে জানান প্রধান সচেতক নূরুল ইসলাম। তিনি বলেন, যেহেতু বিদায়ী অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নেই, তাই তাঁরা অধ্যক্ষের আসনটি খালি রেখেই অধিবেশন শুরু করবেন। প্রথমে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হবে। এরপর সংসদ নেতা সভায় সভাপতিত্ব করার জন্য একজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম প্রস্তাব করবেন এবং অন্য একজন সংসদ সদস্য তা সমর্থন করবেন। এরপর মনোনীত ওই সদস্য সভাপতিত্ব করবেন।

এরপর নতুন অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ নির্বাচন করা হবে। এরপর শোক প্রস্তাব আনা হবে। শোক প্রস্তাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে আলোচনা হবে।

প্রধান সচেতক জানান, শোক প্রস্তাব গ্রহণের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে তুলবেন আইনমন্ত্রী। এসব অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রথম বৈঠকেই একটি ‘বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হবে। সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত এই কমিটি ঠিক করবে কোন অধ্যাদেশগুলো বহাল থাকবে আর কোনগুলো বাদ যাবে।

প্রধান সচেতক আরও জানান, রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনের বৈঠক শেষ হবে।

জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনসহ মোট আসন ৩৫০টি। সংরক্ষিত নারী আসনে এখনো নির্বাচন হয়নি। ৩০০টি সাধারণ আসনের মধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। এর মধ্যে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা থাকায় দুটি আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (২০৯ আসন) নিয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী জোট ছিল বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এর মধ্যে ৬৮টি আসন পেয়েছে বিএনপির একসময়ের জোটসঙ্গী জামায়াতে ইসলামী এবং ছয়টি আসনে জয় পেয়েছে এনসিপি। অন্যদিকে কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামী লীগ এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। ফলে এই সংসদে দলটির কোনো প্রতিনিধিত্ব থাকছে না।

এবারের সংসদ নির্বাচনে ৫০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ মোট নয়টি দলের প্রতিনিধিত্ব থাকছে সংসদে। অন্য দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুজন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বিজেপি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ ও খেলাফত মজলিস থেকে নির্বাচিত একজন করে সংসদ সদস্য রয়েছেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আছেন সাতজন।

জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে একটি নতুন ইতিহাস রচিত হবে। দেশের মানুষ যে নতুন গণতন্ত্রের আশা করছে, এই সংসদে সেই গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। 

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন