[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসের শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বিবৃতি | প্রতীকী ছবি

গণতান্ত্রিক উত্তরণের স্বার্থে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের ১৭ মাসের শাসনকাল নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট। একই সঙ্গে ওই সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা এবং দোষী প্রমাণিত হলে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে তারা। শুক্রবার এক বিবৃতিতে জোটের নেতারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে আলোচনা ও সমালোচনা হচ্ছে। গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁদের ওপর বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন আয়োজনের মতো প্রধান কাজগুলো করার দায়িত্ব ছিল। এর পাশাপাশি ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দলীয়করণ ও দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ার দায়িত্ব। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ‘উচ্ছৃঙ্খল জনতা বা মব’ কর্তৃক পরিচালিত সহিংসতা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। এ ক্ষেত্রে সরকারের কারও কারও বক্তব্যে সরাসরি বা পরোক্ষ প্রশ্রয় ছিল বলে জনমনে ধারণা তৈরি হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিচারের একটি মামলার রায় ছাড়া অভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের বিচারের তেমন উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি চোখে পড়েনি। তা ছাড়া ঢালাওভাবে মামলা দিয়ে বাণিজ্যের কারণে অনেক নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হয়েছেন। সব দলের সম্মতিতে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে নিজেদের মত চাপিয়ে দিতে চাওয়ায় প্রয়োজনীয় অনেক সংস্কারই এখন ভেস্তে যাওয়ার পথে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টাদের দুর্নীতির খবর গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে নেতারা বলেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের শাসন আমলের শ্বেতপত্র প্রকাশ করতে হবে। সেই সঙ্গে উপদেষ্টাদের দুর্নীতির অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে দোষীদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্কাফী রতন, বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নূরুল আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, বাসদের (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসুদ রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, জাতীয় গণফ্রন্টের ভারপ্রাপ্ত সমন্বয়ক রজত হুদা এবং সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন অর রশীদ।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন