[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রাজশাহীতে কলেজশিক্ষককে মারধর ও চাঁদা দাবি, দুই ছাত্রদল নেতা কারাগারে

প্রকাশঃ
অ+ অ-
আব্দুল্লাহ আল মারুফ শিহাব ও আবু সুফিয়ান চন্দন | ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীতে এক কলেজশিক্ষকের কাছে চাঁদা দাবি ও মারধরের অভিযোগে ছাত্রদলের দুই নেতাকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৪ মার্চ মারধরের ঘটনার পর ৫ মার্চ থানায় মামলা করেন ওই শিক্ষক।

ভুক্তভোগী আসাদুজ্জামান জুয়েল রাজশাহী শাহ মখদুম কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। গ্রেপ্তার দুজন হলেন—শাহ মখদুম কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মারুফ ওরফে শিহাব ও রাজশাহী সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান ওরফে চন্দন।

শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় শনিবার দুপুরে শাহ মখদুম কলেজের প্রধান ফটকের সামনে শিক্ষক ও কর্মচারীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করেছেন। মানববন্ধনে তাঁরা ওই দুই ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিলের দাবি জানান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেশ কয়েক মাস ধরে দুই ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মারুফ ও আবু সুফিয়ান শিক্ষক আসাদুজ্জামানের কাছে চাঁদা দাবি করছিলেন। তিনি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় গত বছরের ২৬ নভেম্বর তাঁরা তাঁকে ছুরি দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেন। পরে ৪ মার্চ নগরের কাদিরগঞ্জ এলাকায় তাঁর বাসার সামনে একা পেয়ে তাঁরা তাঁকে মারধর করেন। এ সময় তাঁকে আবারও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

শিক্ষকের বাসার ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার (সিসিটিভি) দৃশ্যে দেখা যায়, ওই দুই ছাত্রদল নেতা তাঁকে চড়-থাপ্পড় ও মারধর করে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।

গ্রেপ্তার দুই ছাত্রদল নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে শিক্ষক ও কর্মচারীরা মানববন্ধন করেন। শনিবার দুপুরে রাজশাহীর শাহ মখদুম কলেজের প্রধান ফটকের সামনে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

গ্রেপ্তারের কয়েক ঘণ্টা আগে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে শহরের নিউমার্কেট এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রদল নেতা মারুফ ও সুফিয়ান। সেখানে তাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁদের দাবি, ওই শিক্ষক আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং দীর্ঘদিন ধরে দলটির হয়ে কাজ করছেন। এ ছাড়া তিনি নিয়মিত কলেজে দায়িত্ব পালন করেন না এবং শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেন বলেও তাঁরা অভিযোগ করেন।

বোয়ালিয়া মডেল থানার পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, চাঁদা দাবি ও শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন