[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনায় কক্সবাজার সৈকতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

প্রকাশঃ
অ+ অ-
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়ি দখল করে গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে তোলা | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশনা অনুযায়ী কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রথম দিনের অভিযানে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে ৩০টির বেশি দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। এর আগের দুই দিন বালিয়াড়ি থেকে নিজ দায়িত্বে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে এলাকায় মাইকিং করা হয়।

গত ৯ মার্চ দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, সমুদ্রসৈকতে থাকা সব ধরনের অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণ করা হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনার তিন দিন পর আজ উচ্ছেদ অভিযানে নামে প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী সৈকতের অবৈধ স্থাপনাসমূহ উচ্ছেদ শুরু হয়েছে। সুগন্ধা, লাবণী, কলাতলীসহ টেকনাফ পর্যন্ত ১২০ কিলোমিটার সৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।’

সুগন্ধা পয়েন্টের বালিয়াড়িতে গড়ে তোলা বেশ কিছু সামুদ্রিক মাছের ভ্রাম্যমাণ রেস্তোরাঁ উচ্ছেদের মাধ্যমে আজ বিকেলে অভিযান শুরু হয়। বালিয়াড়ি জুড়ে সারিবদ্ধভাবে গড়ে তোলা দোকানগুলো ভেঙে ট্রাকে তুলে নেন শ্রমিকেরা।

এরপর সুগন্ধা পয়েন্টের রাস্তার মোড়ে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকেও বেশ কয়েকটি অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ করা হয় এবং রাস্তার পাশের দোকানগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। সন্ধ্যায় সুগন্ধা পয়েন্টের ঝাউবাগানের ভেতরে বালিয়াড়িতে গড়ে তোলা আরও কয়েকটি অস্থায়ী দোকান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যটন শাখার ইনচার্জ মনজু বিন আফনান। তিনি জানান, প্রথম দিনের অভিযানে ৩০টির বেশি অবৈধ দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং অন্যান্য স্থাপনাও দ্রুত উচ্ছেদ করা হবে।

সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টের চটপটি বিক্রেতা আবদুল খালেক অভিযোগ করেন, কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই তাঁর দোকানটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এতে আয়রোজগার বন্ধ হয়ে তাঁকে পরিবার নিয়ে অনাহারে থাকতে হবে।

সুগন্ধা বিচ মার্কেট সমিতির সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে শতাধিক ব্যবসায়ী বালিয়াড়িতে অস্থায়ী দোকান নির্মাণ করে ব্যবসা করছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বালিয়াড়ি দখল করে আরও কয়েক শ দোকান নির্মাণ করা হয়। এখন সেগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে, কিন্তু এর ফলে অনুমতি নিয়ে ব্যবসা করা ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন