[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিনা বিচারে আটক নাগরিকদের মুক্তি চাইলেন ৩০ বিশিষ্ট জন

প্রকাশঃ
অ+ অ-
বিবৃতি | প্রতীকী ছবি

দেশে বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ বিনা বিচারে আটকে থাকা বিভিন্ন পেশার মানুষের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন ৩০ জন বিশিষ্ট নাগরিক। শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে’ করা এসব মামলা পুনরায় যাচাই করার আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে বিশিষ্ট নাগরিকেরা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অসংখ্য মামলা করা হয়েছে। কোনো কোনো মামলায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ জন বুদ্ধিজীবী, আইনজীবী, লেখক, সাংবাদিক ও শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষকে আসামি করা হয়েছে। তাদের অনেককেই নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক ঘটনা বা দলের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এমনকি কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন ব্যক্তিরাও বাদ যাননি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এসব আসামির অনেকের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোনো প্রমাণ না থাকলেও দেড় বছরের বেশি সময় ধরে তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিকও রয়েছেন। কেউ কেউ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ ব্যক্তিদের মানবিক কারণে এবং সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।

জামিন না দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, আটক যেকোনো ব্যক্তির জামিন পাওয়া তার আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকার।

মামলা হওয়ার দেড় বছর পার হলেও অনেকের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত শেষ করেনি কিংবা কোনো অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়নি। ফলে তারা একপ্রকার বিনা বিচারে অসুস্থ অবস্থায় কারাগারে বন্দিজীবন কাটাচ্ছেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারের পর তাদের নামে নতুন মামলা দেওয়া হয়েছে। আবার এক মামলায় উচ্চ আদালত (হাইকোর্ট) থেকে নিয়ম অনুযায়ী জামিন পেলেও অন্য মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

বিবৃতিতে সই করেছেন মানবাধিকারকর্মী সুলতানা কামাল, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশী কবির, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না, নারীপক্ষের সদস্য শিরীন পারভিন হক, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সামিনা লুৎফা, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী ও তবারক হোসেন, লেখক রেহনুমা আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুব, অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, জোবাইদা নাসরীন ও খায়রুল চৌধুরী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম, ল্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক সাদাফ নূর এবং নৃবিজ্ঞানী নাসরিন খন্দকার।

আরও সই করেছেন লেখক ও গবেষক পাভেল পার্থ, বিএনডব্লিউএলএর নির্বাহী পরিচালক সালমা আলী, সাংবাদিক সায়দিয়া গুলরুখ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, মানবাধিকারকর্মী পারভেজ হাসেম, নাগরিক উদ্যোগের প্রধান নির্বাহী জাকির হোসেন, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান, মানবাধিকারকর্মী সাঈদ আহমেদ, দীপায়ন খীসা, আদিবাসী অধিকারকর্মী মেইনথিন প্রমীলা এবং কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক হানা শামস আহমেদ।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন