[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

মাগুরায় ভিজিএফ কার্ড ভাগাভাগি নিয়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৪

প্রকাশঃ
অ+ অ-
ভিজিএফ কার্ডের বরাদ্দ নিয়ে গতকাল বুধবার মাগুরা পৌরসভার একটি ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয় ভাঙচুর করা হয় | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন    

ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফ চালের কার্ড ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে মাগুরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। বুধবার রাতের এই সংঘর্ষে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ তরিকুল ইসলামসহ অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে ১০ জনকে মাগুরার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে পৌরসভার বাটিকাডাঙ্গা মোড়ে অবস্থিত ওয়ার্ড বিএনপির একটি কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়।

স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে পৌর এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ৩০০ জনের জন্য ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বাটিকাডাঙ্গা মোড়ের ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে কার্ড বিতরণ নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক উজ্জ্বল হোসাইন জানান, কার্ডগুলো যাতে দরিদ্র মানুষরা সঠিকভাবে পায়, সে জন্য ছাত্রদল ও যুবদলসহ সব ইউনিটের নেতাকর্মীদের নিয়ে আলোচনা চলছিল। ওই সময় আবুল হোসেন নামে এক বিএনপি কর্মী এসে তাঁকে কেন সভায় ডাকা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং কার্ডের ভাগ দাবি করে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। মূলত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সন্ধ্যার পর দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কার্ড বণ্টন ও সভায় আমন্ত্রণ না পাওয়া নিয়ে শুরু হওয়া কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শেখ তরিকুল ইসলামের সঙ্গে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। ইফতারের পর বাটিকাডাঙ্গা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষ আবার মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। অভিযোগ উঠেছে, সংঘর্ষের সময় আবুল হোসেনের সমর্থকরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে শেখ তরিকুল ইসলামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হামলায় আসলাম, বাকের, দেলোয়ার, ইয়াছিন ও রহিলসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হন।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে র‍্যাব সদস্যরাও সেখানে যোগ দেন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘এলাকায় পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন