[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রোজার শুরুতেই নারায়ণগঞ্জে লেবু ও বেগুনের দামে ‘আগুন’

প্রকাশঃ
অ+ অ-
রোজার শুরুতে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকারি কাঁচাবাজার দ্বিগুবাবুর বাজারে লেবু বিক্রি হচ্ছে হালি ১২০ টাকা। শনিবার সকালে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন  

রোজার শুরুতে নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকারি কাঁচাবাজার দ্বিগুবাবুর বাজারে বড় লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ১৬০ টাকা এবং ইফতারের অতিপ্রয়োজনীয় লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে এই দাম আরও বেশি। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে এসব পণ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। রোজার শুরুতেই এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিতে ক্রেতারা চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

শত বছরের পুরোনো দ্বিগুবাবুর বাজার নারায়ণগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় কাঁচাবাজার। শনিবার এই বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বড় লেবুর হালি ১২০ টাকা, মাঝারি লেবু ১০০ টাকা এবং ছোট চীনা (চায়নিজ) লেবুর হালি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ রোজা শুরুর এক সপ্তাহ আগেও বড় লেবু ৮০ টাকা, মাঝারি ৬০ টাকা এবং ছোট লেবু ৩০ টাকা হালিতে পাওয়া যেত।

লেবু বিক্রেতা শরীফ মিয়া জানান, তাঁর লেবু চট্টগ্রাম থেকে আনা। বর্তমানে মৌসুম না হওয়ায় উৎপাদন কম, তাই দাম কিছুটা বেশি। আরিফ ভুঁইয়া ও আওলাদ হোসেন নামের আরও দুজন বিক্রেতা জানান, রোজার এক মাস আগে থেকেই লেবুর বাজার চড়া। আড়ত বা মোকাম থেকেই তাঁদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

শুধু লেবুই নয়, ইফতারে বেগুনি তৈরির লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা কেজি দরে। এক সপ্তাহ আগেও এই বেগুন ছিল মাত্র ৬০ টাকা কেজি। বাজারে লম্বা বেগুনের সরবরাহও বেশ কম। অন্যদিকে গত সপ্তাহে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। সাত দিনের ব্যবধানে কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪০ টাকা। এ ছাড়া শসা ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এবং অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও চড়া।

পণ্য কেনা নিয়ে বাজারে প্রায়ই ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে তর্কাতর্কি হচ্ছে। বেসরকারি চাকরিজীবী আবদুর করিম বলেন, রোজা এলেই সিন্ডিকেট করে দাম বাড়ানো হয়। সামান্য আয়ের মানুষের পক্ষে এই দামে সংসার চালানো এখন অনেক কঠিন।

শহরের দেওভোগ এলাকার বাসিন্দা আরিফ হোসেন জানান, লেবু, কাঁচা মরিচ ও বেগুনের দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। পোশাক শ্রমিক আমেনা খাতুন বলেন, লেবুর দাম যেভাবে বেড়েছে, তাতে শরবত খাওয়া অনেকের পক্ষেই এখন অসম্ভব হয়ে পড়বে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রতিবছর রোজা এলেই ব্যবসায়ীরা জোট বেঁধে দাম বাড়িয়ে দেয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার তদারকি (মনিটরিং) করা না হলে সাধারণ মানুষের টিকে থাকা মুশকিল হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আলমগীর হোসেন জানান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজারে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালানো হচ্ছে। যারা অতিরিক্ত দাম নিচ্ছে, তাদের জরিমানাও করা হচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন