[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

নুরুল হকের অভিযোগ, অনিরাপদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়

প্রকাশঃ
অ+ অ-
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে গণ অধিকার পরিষদে প্রার্থী নুরুল হক নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

পটুয়াখালী-৩ আসনে (গলাচিপা-দশমিনা) বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক অভিযোগ করেছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। তিনি নির্বাচনী এলাকায় সংঘাত ও সহিংসতার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে নুরুল হক এসব অভিযোগ ও দাবি জানান। তিনি বলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়গুলো জানিয়েছিলেন।

নুরুল হক অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মামুন ও তার সমর্থকেরা ধারাবাহিকভাবে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টিও ভাবতে হতে পারে।’ এ সময় তিনি নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ এবং সমর্থকদের ওপর হামলার বর্ণনাও দেন।

তিনি আরও জানান, সোমবার গভীর রাতে দশমিনা উপজেলার আলিপুরা ইউনিয়নে তার ‘ট্রাক’ প্রতীকের নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে গলাচিপার আমখোলা ইউনিয়নে তার কর্মী মাঈনুল ইসলামের বাড়িতে আগুন দিয়ে একটি পরিবারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। ৩১ জানুয়ারি ডাউকা ইউনিয়নে ৭-৮ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি চরবোরহান ইউনিয়নে নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে মারধর করা হয়। ২৫ জানুয়ারি চিকনিকান্দি এলাকায় পথরোধ করে উসকানিমূলক স্লোগান দেওয়া হয়। ২৪ জানুয়ারি পানপট্টি এলাকায় তার কর্মী রাকিবকে মারধর করা হয়।

নুরুল হক জানান, এসব বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পাশাপাশি থানায় দুটি মামলা করা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল বুধবার সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করব। প্রশাসন যদি সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেও অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু অনিরাপদ নির্বাচনে অংশ নেওয়া সম্ভব নয়।’

এই অভিযোগের বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুনের নির্বাচনী সমন্বয়ক জাহিদ হোসেন বলেন, ‘নুরুল হক যে অভিযোগ করেছেন, তা সত্য নয়; উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এ বিষয়ে আমরা সংবাদ সম্মেলন করে জবাব দেব।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘নুরুল হকের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফৌজদারি অভিযোগগুলো পুলিশের বিষয়।’

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলার চারটি আসনের মধ্যে পটুয়াখালী-৩ আসনে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন