[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি ৩৮ পরীক্ষার্থীর কেউ, নিয়োগ বাতিল

প্রকাশঃ
অ+ অ-
পরীক্ষার শুরুতে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হচ্ছে | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় চারটি ইউনিয়ন পরিষদের জন্য গ্রাম পুলিশের (মহল্লাদার) শূন্য পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৮ জনের কেউই জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি। এ কারণে সবাইকে অযোগ্য ঘোষণা করে নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে।

বুধবার তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, এই পদে নিয়োগের জন্য পুনরায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর জেলাজুড়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট, তেঁতুলিয়া ও দেবনগর ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একজন করে এবং শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের জন্য দুজনসহ মোট পাঁচজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এই পদের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছিল অষ্টম শ্রেণি পাস। কোনো ফি ছাড়াই মোট ৩৮ জন চাকরিপ্রার্থী এতে আবেদন করেন।

সকাল ১০টার দিকে প্রার্থীদের শারীরিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর নিয়োগ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেলা ১১টার দিকে মেধা যাচাইয়ের জন্য সবাইকে জাতীয় সংগীত লিখতে দেওয়া হয়। এর জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল ১৫ মিনিট। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থীই সম্পূর্ণ এবং নির্ভুলভাবে জাতীয় সংগীত লিখতে পারেননি। এই কারণে সবাইকে অকৃতকার্য দেখিয়ে নিয়োগ পরীক্ষাটি বাতিল করে দেয় নিয়োগ ও বাছাই কমিটি।

তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নিয়োগ ও বাছাই কমিটির সভাপতি আফরোজ শাহীন খসরু মুঠোফোনে জানান, ‘আমরা স্বচ্ছভাবে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেছি। অষ্টম শ্রেণি পাস ব্যক্তিরা জাতীয় সংগীত লিখতে পারবেন না, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৩৮ জনের কেউই এটি লিখতে পারেননি। তাই পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। কোনো ফি ছাড়াই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি পাবেন বলে আমরা আশা করছি।’

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন