[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

বিএনপিতে যোগ দিয়েও রক্ষা হলো না ইউপি চেয়ারম্যানের

প্রকাশঃ
অ+ অ-
হেদায়েত আলী শাহ ফকির | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন

নীলফামারী সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে শহরের দমকল বাহিনীর সড়কের নিজ বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে নীলফামারী সদর থানার পুলিশ। তিনি ২০২৪ সালে করা একটি হত্যা মামলার আসামি।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে হেদায়েত আলীর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে একটি হত্যা মামলা। মামলাটি করেন জেলা সদরের লক্ষ্মীচাপ ইউনিয়নের আকাশকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা মো. লিটন রহমান। নীলফামারী সদরের নিম্ন আদালতে করা ওই মামলায় ২০২ জনকে আসামি করা হয়। ১ নম্বর আসামি সাবেক সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামান নূর। হেদায়েত আলী শাহ ফকির ১১৬ নম্বর আসামি।

হেদায়েত আলী শাহ ফকির সদর উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার অভিযোগে ২০২২ সালে তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে তিনি দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি দুপুরে শহরের পৌর সুপার মার্কেটের পাশে অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ে ১০ জন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-২ সদর আসনের বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহরিন ইসলাম চৌধুরী। শাহরিন ইসলাম বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের খালাতো ভাই। যোগদান অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে হেদায়েত আলী শাহ ফকির বলেছিলেন, 'আমি আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করার কারণে ২০২২ সালে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। নীলফামারী জেলার উন্নয়নের স্বার্থে ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে বিএনপিতে যোগ দিলাম।' এরপর থেকে বিএনপির প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ছিলেন হেদায়েত আলী। নীলফামারী-২ (সদর) আসনে ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন জামায়াতের প্রার্থী আলফারুক আবদুল লতীফ। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৮ ভোট।

ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলী শাহ ফকিরকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, বেলা একটার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হেদায়েত আলীকে তাঁর নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন