[tenolentSC] / results=[3] / label=[ছবি] / type=[headermagazine]

রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে পথনাটক ‘ভাষার ক্ষুধা’ মঞ্চস্থ

প্রকাশঃ
অ+ অ-
‘ভাষার ক্ষুধা’ পথনাটকের একটি দৃশ্য | ছবি: পদ্মা ট্রিবিউন    

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে যাঁরা জীবন বাজি রেখে রাজপথে নেমেছিলেন, সেই বীরদের স্মরণে ‘ভাষার ক্ষুধা’ নামের একটি নাটক মঞ্চায়ন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নাট্য সংসদ।

শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে নাটকটি প্রদর্শিত হয়। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মোবাশ্বের মাহমুদ নিবিড়।

নাটকের শুরুতে অভিনয়শিল্পীদের কালো পোশাকে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ডের সামনে হাঁটতে দেখা যায়। ‘কারার ঐ লৌহ কপাট, ভেঙে ফেল কররে লোপাট’ কবিতার ছন্দে অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁরা ভাষা সংগ্রামীদের সেই ঐতিহাসিক দাবি ও বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার আওয়াজ তোলেন। নাটকে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের অবদানের কথা তুলে ধরা হয়।

এত বছর পরেও বাংলা ভাষা ব্যবহারে কেন হীনম্মন্যতা কাজ করছে—এমন প্রশ্ন তুলে নাটকের সহনির্দেশক নুসরাত জাহান সাদিয়া বলেন, বাংলা ভাষা যে কতটা সুন্দর, তা আমরা এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারিনি। যেদিন আমরা বুঝতে পারব যে শুধু বাংলা ভাষার লড়াইয়ের কারণেই আজ বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হচ্ছে, সেদিন থেকে আমাদের আর নিজেদের ভাষাকে ছোট মনে হবে না।

নাটক শেষে পরিচালক মোবাশ্বের মাহমুদ নিবিড় বলেন, রাষ্ট্র ও ক্ষমতা ততক্ষণই ভাষাকে ভালোবাসে, যতক্ষণ ভাষা চুপ থাকে। যখনই ভাষা প্রশ্ন করে বা ক্ষমতার ভুল ধরিয়ে দিতে চায়, তখনই কোনো না কোনোভাবে ভাষাকে চেপে রাখা হয়। এই ভাবনা থেকেই আমাদের নাটকের শুরু।

বাংলাকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই ও প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে উল্লেখ করে নাট্য সংসদের সাবেক সভাপতি নাজমুল হোসাইন বলেন, বাংলা ভাষা হওয়ার কথা ছিল প্রতিবাদের ও বিক্ষোভের ভাষা। দুঃখের বিষয় যে এত বছর পরেও আমরা সেই জায়গায় পৌঁছাতে পারিনি। রক্তের বিনিময়ে পাওয়া এই ভাষায় আমরা আজও প্রতিবাদ জানাতে ভয় পাই।

Fetching live reactions...
Was this article helpful?

Comments

Comments

Loading comments…
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন